গুরুদাসপুরে এক গৃহবধূর (৩০) মাথার চুল কর্তন করা হয়েছে। দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীর আগের স্ত্রী ও দেবররা কুত্সা রটিয়ে ঐ নারীর সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণ করেন। এঘটনায় নির্যাতিত নারীর পিতা বাদী হয়ে ছয় জনকে অভিযুক্ত করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গুরুদাসপুর থানায় মামলা করেছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩ মে। ঐ নারীর স্বামীর বাড়ি উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের সাবগাড়ি গ্রামে। চুল কর্তনসহ শারীরিক নির্যাতন করে তাকে ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল। মামলা গ্রহণের পর বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। এসময় তার স্বামী ফরিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। তবে মামলায় অভিযুক্ত ঐ নারীর দেবর ও সতিনকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
বিয়াঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি তিনি জানলেও কেউ অভিযোগ করেননি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত ফরিদকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অন্য অভিযুক্ত মুন্সী, রতন, বাবলু, হাজেরা বেগম, ছালমা (রেভা) ও এমদাদুল পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
