তাড়াশ পৌরসভার আসানবাড়ি গ্রামের শিশু শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন দেড় থেকে দুই কিলোমিটার দূরের তাড়াশ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বিনসাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়তে যায়। নিজেদের গ্রামে শিক্ষা লাভের সুযোগ না থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের।
আসানবাড়ি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক, ফজলার রহমান, ছাত্তার প্রামাণিক, আব্দুল মালেক, সুমন তালকদার, খাদিজা পারভিন, রিনা খাতুনসহ অনেকে জানান, তাদের গ্রামে প্রায় ১৫শ’ মানুষের বসবাস। কিছুসংখ্যক শিক্ষার্থী পার্শ্ববর্তী গ্রামসমূহের বিদ্যালয়ে যায়। তবে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতায় পড়ালেখা করতে পারছে না অধিকাংশই। তারা আরো জানান, উপজেলার প্রায় সব গ্রামেই সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও প্রকল্পভিত্তিক বিভিন্ন পাঠদান কেন্দ্র চালু রয়েছে। অথচ প্রযুক্তির আলোকিত যুগে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার এ গ্রামটিতে এসবের কোনোটিই নেই। এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেছেন সরকার। আসানবাড়ি গ্রামে বিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ সাপেক্ষে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে।
