ঐক্যফ্রন্টকে ষড়যন্ত্র ও হত্যার রাজনীতি বন্ধ করতে হবে

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৩:০৯

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, নির্বাচনের পরে বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টকে ষড়যন্ত্র ও হত্যার রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। গতকাল রবিবার সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে রাজধানীর ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্রে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের তিনি আরো বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াত সহিংসতা করছে, হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে। তবে এই গোষ্ঠী আজকের পর আর কোনো ধরনের নাশকতা, হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারবে না। আজকের (রবিবার) পর বিএনপি-জামায়াতের হত্যাকাণ্ড বন্ধ হবে। কারণ আজ নির্বাচন। এরপর তাদের (বিএনপি-জামায়াত) আর কোনো উপায় নেই।’

সিটি কলেজ কেন্দ্র ধানমন্ডি, হাজারিবাগ, নিউ মার্কেট এবং কলা বাগান থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা ১০ আসনের একটি ভোট কেন্দ্র। সজীব ওয়াজেদ জয় দেশবাসীকে বিশেষ করে তরুণ এবং নতুন ভোটারদের স্বাধীনতা বিরোধী ও মানবতা বিরোধীদের নিয়ে জোটবদ্ধদের ভোট না দেয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে, এ ব্যাপারে তিনি সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে দেশের মানুষ আবারো আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, নির্বাচনে প্রত্যাশা করছি, বাংলার মানুষ উন্নয়নের জন্য নৌকায় ভোট দেবে, যাতে আমরা উন্নয়ন এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। তবে আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। মানুষ যাকে ভোট দেবে তারাই ক্ষমতায় আসবে। তবে যারা যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে রাজনীতি করে, তাদের ভোট না দিতে অনুরোধ জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার দেশের ভাই-বোনদের হত্যা করেছে, তাদের নিয়ে যারা রাজনীতি করে, তাদের ভোট দেবেন না। যারা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, যারা দেশকে স্বাধীনতা দিয়েছে, যে দল দেশকে মধ্যম আয়ের দেশ করেছে, যে প্রধানমন্ত্রী দেশকে উন্নয়নশীল দেশ করেছে- তাদেরকে ভোট দেবেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘কয়েক মাস ধরে বিএনপি-জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধীরা মিলে এই নির্বাচনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করেছে। তারা বিদেশে প্রচণ্ড লবিং করছে। তারা জানে, সবাই জানে যে বিএনপি-জামায়াতের জেতার উপায় নেই। তারা আমাদের লোকজনকে হত্যা করে, আর লম্বা লিস্ট দিচ্ছে যে তারা তাদের (বিএনপি-জামায়াত) লোক। তারা সন্ত্রাস চালাচ্ছে। যখন পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করছে, তখন নালিশ করছে যে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে। খামোখা গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বিএনপি-জামায়াত মানুষ হত্যা করবে, সন্ত্রাস করবে; অথচ তাদের গ্রেপ্তার করা যাবে না, এটা কেমন কথা?’