g বিনোদন রিপোর্ট
করোনার এমন পরিস্থিতে পুরো বিশ্বের বিনোদন জগত্ অচল। কোথাও কোনো শুটিং নেই। নতুন সিনেমা মুক্তি বা কনসার্ট কিছুই নেই এখন। এরমধ্যে আর কয়েকদিন পরই ঈদ। বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনে এই সময়টা পুরোদমে ব্যস্ত যায়। ঈদের বেশ আগে থেকেই চলে ব্যস্ততা। তবে এবারের চিত্রটা ভিন্ন। নেই শুটিং বা ঈদের অনুষ্ঠান নিয়ে কোনো উত্তেজনা। সবারই অপেক্ষা ঠিক কবে আবারও স্বাভাবিক অবস্থায় আসবে সবাই। তবে এরমধ্যেও দেশের চ্যানেলগুলো পুরনো নাটক বা যেসব ঈদের নাটকের শুটিং আগেই শেষ হয়েছে সেগুলো দিয়েই সাজাবে তাদের বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। অন্যদিকে কিছুদিন আগে জানানো হয়েছে শুটিং বন্ধের সময় আরও বাড়ানো হয়েছে।
কিন্তু এই ঘোষণার পরেও নাটকের শুটিং চলতে দেখা যায়। আদেশ অমান্য করে ১০ মে একটি নাটকের শুটিং শুরু করা হয়।
বিষয়টি পরিচালকদের সংগঠন ডিরেক্টরস গিল্ডকে জানানো হলে তাত্ক্ষণিকভাবে শুটিং বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরিচালক আদিবাসী মিজান পূবাইলের হাসনাহেনা শুটিং বাড়িতে এটি শুরু করেছিলেন। ঈদের জন্য নাটকটি নির্মিত হচ্ছিল। এতে জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসানও উপস্থিত ছিলেন।
ডিরেক্টরস গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক এসএ হক অলিক বলেন, ‘পূবাইলের হাসনাহেনা শুটিং বাড়িতে এর কাজ শুরু হয়েছিল। পরে তারা (নির্মাতা) তাদের ভুল বুঝতে পেরেছেন। ফোনে কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে তারা এটি বন্ধ করে দিয়ে চলে এসেছেন।’
শুটিং ইউনিট সূত্রে জানা যায়, ১ বছর আগের পুরনো নাটকের অংশ বিশেষ শুটিং করতে গিয়েছিলেন পরিচালক মিজান ও তার দল। নাটকের প্রথমভাগের কাজ হয়েছিল নেপালে। রবিবার এর শেষ অংশ করছিলেন তারা। নাটকে জাহিদ হাসান মায়ের সঙ্গে অভিমান করে দেশের বাইরে চলে যান এবং সেখানে গিয়ে তার সব শেষ হয়ে যায়। জাহিদ ফের মায়ের কাছে ফেরত আসেন এবং ক্ষমা চান। শেষের এ অংশটুকুরই কাজ চলছিল সেখানে। এতে অংশ নিতে ৩টি গাড়িতে করে চিত্রগ্রাহক আনোয়ার হোসেন বুলু, জাহিদ হাসান ও মিজান পূবাইলে গিয়েছিলেন।
