দ্রুত শপিং মল ত্যাগ করুন

আপডেট : ১৩ মে ২০২০, ২১:৪৬

এই সময়ের ছড়া

সৈয়দ আল ফারুক

 

রমজানের এই রোজার শেষে আসছে খুশির ঈদটা

করোনা তাই নিচ্ছে ছুটি, যাচ্ছে তো কোবিদটা।

ছুটির শেষে দেখা হবে, ওরে কোবিদ উনিশ

ঈদের আগে আসিস না আর এই কথাটা শুনিস।

লকডাউনে বাসায় থেকে দিনরাত্তির আরাম

দোকান খোলার খবরে তাই ঘুমটা হলো হারাম।

আবার শুরু দোকানদারি খোলা শপিং মলটা

মুচকি হাসে করোনা হায় কার কোর্টে যে বলটা!

হুমড়ি খেয়ে পড়ছে সবাই শপিং মলের দরজায়

বর্ষে আরো অনেক বেশি যতটা না গর্জায়।

 

সারাটা দিন শপিং মলে, সময় হলো যাওয়ার

যেতে হবেই কারণ শেষের পথে শপিং আওয়ার।

চারটা বাজার একটু আগে হঠাত্ বলে মাইকে :

‘এক্ষুণি মল ত্যাগ করবেন’, বলছে তা সব্বাইকে!

মল ত্যাগের ঐ নোটিশে পেট মোচড় দিয়ে উঠল

এসকেলেটার, সিঁড়ি বেয়ে লোকটা ভয়ে ছুটল।

ব্যস্ত সবাই যে যার কাজে দেয় না কোনো উত্তর

‘মল ত্যাগের ঐ রুমটা কোথায়’, লোকটা চেঁচায় : ধুত্তোর!

সামনে পেয়ে গার্ডকে বলে, ‘কোন দিকে ভাই টয়লেট?

দুর্ঘটনা ঘটবে যদি যাওয়ার পথে হয় লেট!’

গার্ড বেচারা বলবে কী আর তোত তোত তোত তোতোলায় :

বাব বাব বাব বাথরুমটা দোত দোত দোত দোতলায়।

ততক্ষণে অনেক দেরি ঘটেই গেল ঘটনা

শপিং মলে ‘এই মল ত্যাগ’, কেউ ভেবো না রটনা।

 

বাঙালি এক মহান জাতি আনন্দ পায় ত্যাগে সে

লোকটা খুশি পায় না কিছু হাতের শপিং ব্যাগে সে।