বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
হিমন এডওয়ার্ড গমেজ, সিনিয়র শিক্ষক
সেন্ট গ্রেগরী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা
সুপ্রিয় বন্ধুরা, তোমাদের স্কুল বন্ধ থাকলেও বাসা-বাড়িতে পড়াশোন চালিয়ে যেও, মনে রেখ এখন “তোমরা ছাত্র, তোমরাই শিক্ষক।” তোমাদের সহযোগি হিসেবে আমরা রয়েছি তোমাদের পাশে।
বাংলাদেশের অর্থনীতি : কৃষি ও শিল্প
১। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কৃষি আমাদের কীভাবে সহায়তা করে?
উত্তর : কৃষি ও কৃষি থেকে উত্পন্ন দ্রব্য রপ্তানি করে আমরা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি। যেমন— পাট, চা, হিমায়িত চিংড়ি এবং এসব থেকে উত্পন্ন বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ও উপকরণ বিদেশে রপ্তানি করে আমরা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করি।
২। আমাদের পোশাক শিল্পের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক বর্ণনা কর।
উত্তর :বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান শিল্প হলো পোশাক শিল্প। পোশাক শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিক নিচে দেওয়া হলো—
১.বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে এ খাত থেকে।
২.পোশাক শিল্পে লক্ষ লক্ষ নারী ও পুরুষ কাজ করায় বেকারত্বের হার হ্রাস পাচ্ছে।
৩.পোশাক শিল্পের প্রসার ঘটায় এর সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য শিল্পও বিকশিত হচ্ছে।
তাই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পোশাক শিল্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
৩। বৃহত্ শিল্প ও ক্ষুদ্র শিল্পের মধ্যে পার্থক্য কী ?
উত্তর : বৃহত্ শিল্প ও ক্ষুদ্র শিল্পের পার্থক্য —
বৃহত্ শিল্প: যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠান বিপুল মূলধন, অনেক শ্রমিক, আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে দ্রব্য উত্পাদন করে সেগুলোকে বৃহত্ শিল্প বলে।
ক্ষুদ্র শিল্প: যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠান অল্প সংখ্যক শ্রমিক, হালকা যন্ত্রপাতি ব্যবহার দ্বারা দ্রব্য উত্পাদন করে সেগুলোকে ক্ষুদ্র শিল্প বলা হয়।
বৃহত্ শিল্প: বৃহত্ শিল্পের আয়তন ক্ষুদ্র শিল্প অপেক্ষা বৃহত্তর হয়।
ক্ষুদ্র শিল্প: ক্ষুদ্র শিল্পের আয়তন ক্ষুদ্র হলেও তা কুটির শিল্প অপেক্ষা বৃহত্তর হয়।
বৃহত্ শিল্প: বৃহত্ শিল্প বড় বড় কারখানায় অবস্থিত।
ক্ষুদ্র শিল্প: ক্ষুদ্র শিল্প ছোট ছোট কারখানায় অবস্থিত।
বৃহত্ শিল্প: বৃহত্ শিল্পে মূলধন বিনিয়োগের পরিমাণ অনেক বেশি।
ক্ষুদ্র শিল্প:ক্ষুদ্র শিল্পে মূলধন বিনিয়োগের পরিমাণ কুটিরশিল্প অপেক্ষা বেশি।
বৃহত্ শিল্প: বাংলাদেশের বৃহত্ শিল্পের মধ্যে সার শিল্প, সিমেন্ট শিল্প, কাগজ শিল্প প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র শিল্পের মধ্যে সাবান শিল্প, হোসিয়ারি শিল্প, রেশম শিল্প প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
