গত ১২ মে দৈনিক ইত্তেফাকের খবরের প্রধান শিরোনাম ছিল— ‘জীবন নাকি জীবিকা, কোনটি আগে?’ এই ব্যাপারে টেলিফোন ও ই-মেইলে প্রাপ্ত পাঠকদের অভিমত প্রকাশিত হলো আজ
জীবন ও জীবিকা একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। একটিকে বাদ দিয়ে অন্যটির অস্তিত্ব অকল্পনীয়। করোনা ভাইরাস সংক্রমণে শুধু বাংলাদেশ নয়, বিধ্বস্ত পুরো বিশ্বের অর্থনীতি। বিশেষজ্ঞদের মতে আরো কমপক্ষে দুই বছর করোনার তাণ্ডব চলবে। এমন অবস্থায় করোনায় সম্ভাব্য মৃত্যুর চেয়ে ক্ষুধার জ্বালায় আসন্ন মৃত্যুর আশঙ্কায় অধিক চিন্তিত অধিকাংশ কর্মজীবী মানুষ। তাই সরকার মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে লকডাউন শিথিল করে স্থবির পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। যদিও তাতে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। তবে জীবন ও জীবিকার স্বার্থে উপযুক্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকলকে কাজে ফেরানো জরুরি। যাতে স্থাপিত হবে জীবন ও জীবিকার যুগপত্ মেলবন্ধন।
মো. আল-আমিন ইসলাম
হরিশ্বর, কাউনিয়া, রংপুর।
জীবন ও জীবিকা একে অপরের পরিপূরক। কেউ কারো বিরোধী নয়। মানুষের জীবনের চাইতে গুরুত্বপূর্ণ অন্য কোনো কিছুই হতে পারে না। তাই জীবন ও জীবিকার মধ্যে জীবনকেই এগিয়ে রাখব আমি? তবে জীবিকাও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমরা সভ্য সমাজে বাস করি। জীবিকা ছাড়া বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। আমার মনে হয়, জীবন ও জীবিকা সমানভাবেই প্রয়োজন। জীবনের প্রয়োজনেই জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। আবার জীবিকার লভ্যাংশ উপভোগ করতে হলে সুস্থ জীবনের প্রয়োজন। এই করোনাকালীন পরিস্থিতিতে সবারই উচিত জীবনকে নিরাপদ রেখে তারপর জীবিকার সন্ধান করা। না হলে যদি জীবনই চলে যায়, তবে জীবিকার আর কী প্রয়োজন? আবার জীবনকে ভালোভাবে পরিচালনা করার জন্য জীবিকার ভূমিকাও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।
স্নেহা মৌ
বেনাপোল, যশোর।
জীবন নাকি জীবিকা, কোনটা আগে? এই প্রশ্নই এখন সবার মনে ঘোরপাক খাচ্ছে। আমি মনে করি, জীবন বাঁচাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অন্য দিকে জীবিকা বাঁচাতে চাকরি বিধি মেনে চলতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের গবেষকরা দাবি করছেন যে, লকডাউনে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা হারাচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি, সে হিসাবে গত ৪০ দিনের লকডাউনে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশে যেখানে শ্রমজীবীদের প্রায় ৮৫ শতাংশই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ করে এবং দেশের আগে থেকে জাতীয়ভাবে স্বীকৃত ২০ শতাংশ দরিদ্র পরিবারের সঙ্গে উপার্জন হারিয়ে নতুন করে দারিদ্র্যের মুখোমুখি হওয়া পরিবারের সংখ্যাও বিশাল, সেখানে অর্থনীতি বাঁচাতে ও মানুষের জীবিকা বাঁচাতে ধাপে ধাপে লকডাউন তুলে দেওয়ার আলোচনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক মনে হচ্ছে।
অমিত বণিক
উত্তরা, ঢাকা।
কোভিড-১৯-এর কারণে সারা বিশ্বের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। সাপ্লাই ও চাহিদার ওপর চাপ বাড়ছে। কারণ বিশ্ব অর্থনীতি একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন। দেশের ভেতরেও অর্থনীতির অনেক খাত বিচ্ছিন্ন ও বন্ধ রয়েছে। এ কারণে সীমিত আকারে হলেও অর্থনীতি চালু করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
মো. জিল্লুর রহমান
সতিশ সরকার রোড, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।
লকডাউন ধীরে ধীরে শিথিল করা হচ্ছে। ফলে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ যে বাড়বে সেটা অনেকেই জানেন। তাই আমরা মনে করি সময় থাকতে সরকারকে কঠোর হতে হবে। তা না হলে ইউরোপ, আমেরিকার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
অ্যাডভোকেট এস কে মো. রমিজউদ্দিন
কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা
জীবন মানেই তো বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম। আর সে জন্যই জীবিকা। তবে জীবন যদি না থাকে তাহলে জীবিকা দিয়ে কী হবে? কাজেই বেঁচে থাকতে হলে আগে জীবনকে বাঁচাতে হবে। জীবিকা নয়। জীবন ও জীবিকা দুটোর সমন্বয়েই আমরা বেঁচে থাকি। তবে আপাতদৃষ্টিতে জীবনই আগে।
পারভীন সুলতানা
মালিবাগ, ঢাকা
অলিগলি থেকে শুরু করে মার্কেটসহ কোথাও সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই। পাড়া-মহল্লায় বাড়ছে মানুষের ভিড়। করোনা ভাইরাস ভয়ংকর রূপ নেওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে, বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা আরো বলছেন, আগামী তিন সপ্তাহ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা মনে করি ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে লকডাউন শিথিল করে। তাই এখনো সময় আছে কঠোর হতে হবে।
জলুল করিম
রিক, ধানমন্ডি, ঢাকা
সবচেয়ে বড়ো কথা হচ্ছে প্রতিদিনই মৃত্যুর হার ও সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। তাই প্রয়োজন সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরা করা। জীবন আগে অবশ্যই, জীবকা নয়।
মারুফুজ্জামান
খিলগাঁও, ঢাকা
জীবনই যদি না থাকে তাহলে জীবিকা দিয়ে কী হবে? কার জন্য জীবিকা? এখন আমাদের মূল কথাই হলো আগে জীবন রক্ষা।
নাসিরউদ্দিন
উত্তরা, ঢাকা
করোনা ভাইরাসে বিধ্বস্ত বিশ্ব অর্থনীতি। এই অবস্থায় জীবিকার তাগিদে উপার্জন করতে হবে। তবে আগে জীবন বাঁচলেই জীবিকা করা যাবে। তাই জীবন মৃত্যুর হাতে তুলে দিয়ে জীবিকা করা যাবে না। এতে দেশের প্রাণহানি ঘটবে আরো বেশি।
ফারুক আহমেদ
বাগমারা, রাজশাহী
মানুষের জীবনের চাইতে জীবিকা কোনোমতেই আগে হওয়ার কথা নয়। এই দুর্যোগের সময়ে বেঁচে থাকাই সবচেয়ে বড়ো কথা। ভালো খাওয়া, ভালো থাকার ক্ষেত্রে অবশ্যই জীবিকার ভূমিকা সবচেয়ে মুখ্য, তবে এখন বিপদের সময়। প্রবাদ আছে, ‘বিপদে নিয়ম নাস্তি।’ অর্থাত্ বিপদের সময় নিয়ম ভঙ্গ করা যায়। তাই এখন স্বচ্ছন্দভাবে জীবনধারণের চাইতেও কোনোমতে বেঁচে থাকাটাই অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
ঋতা
কুমিল্লা।
জীবিকার চেয়ে জীবন বড়ো, প্রতিটি জীবনের সঙ্গে তিন থেকে ১০ জনও নির্ভরশীল। তাই জীবন বাঁচিয়ে জীবিকার কথা ভাবা জরুরি। জীবিকার জন্য শিল্প-কারখানা, শপিংমল খোলা জরুরি, কিন্তু জীবনের নিরাপত্তা না ভেবে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করলে অধিক সংখ্যক মানুষ বা শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হলে তা হবে লাভের চেয়ে ক্ষতি।
নজরুল ইসলাম খান
খান ভিলা, ৫৪ নতুন জুরাইন, ঢাকা-১২০৪।
বর্তমান বিশ্বে ঘরবন্দি ৭০০ কোটি মানুষের সামনে বিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন হলো জীবন না কি জীবিকা আগে? আসলে সারাবিশ্বই এখন জীবন বনাম জীবিকার প্রশ্নে দোদুল্যমান? এই প্রশ্নের সত্যিকার সঠিক উত্তরও নেই বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের কাছে? আমরা বলি, জীবনের জন্য জীবিকা? কিন্তু জীবিকায়ও তো জীবন বাঁচে! বিপরীতে ঘরে বসে থাকলে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের জীবিকা তো বাঁচে না? আবার জীবিকা মরে গেলে অভুক্ত জীবনও বাঁচে না! তবে একটা পথ আছে? এই দুর্যোগকালীন রাষ্ট্র ও সমাজের ধনাঢ্যরা যদি অভুক্তের পেটের দায় মোচন করার গ্যারান্টি দেয়, তবেই কেবল এর সার্থক সমাধান মিলে যায়? জীবিকার পরাজয়েও বেঁচে যায় জীবন?
তৌহিদ বিল্লাহ
কান্দাপাড়া, পলাশ, নরসিংদী?
দীর্ঘমেয়াদি মরণব্যাধি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত দেশ ও জাতি আজ জীবন এবং জীবিকা নিয়ে মহাসংকটে। জীবন তথা স্বাস্থ্যঝুঁকির করুণ চিত্রের সাম্প্রতিক জলজ্যান্ত উদাহরণ হলো সরকারের জনৈক অতিরিক্ত সচিবের চিকিত্সক কন্যার আপ্রাণ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, ঢাকা শহরের কোনো হাসপাতাল তো দূরের কথা, কর্মে নিয়োজিত নিজ হাসপাতালেও পিতাকে ভর্তি করাতে না পেরে পরপারের যাত্রী হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য হওয়ার মতো কঠোর বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়া। প্রতিনিয়ত এই বাস্তব করুণ চিত্রের মুখোমুখি হতে হচ্ছে আজ সমগ্র বাংলাদেশের চিকিত্সাপ্রত্যাশিত জনগণকে। এরই মধ্যে ইউরোপ ও আমেরিকা মহাদেশের কিছু কিছু দেশে জীবিকার তাগিদে লুঠতরাজের ঘটনা ঘটেছে। এইগুলোকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে উড়িয়ে দেওয়া সরকারের উচিত হবে না বরং সম্ভাব্য মহাবিপর্যয়ের আলামত হিসেবে সক্রিয় বিবেচনায় নিতে হবে। মূলত আজ দেশের জনগণের জীবন ও জীবিকার তাগিদ একাকার হয়ে গেছে।
ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী (মজির)
৩৭,মদনপাল লেন, নবাবপুর, ওয়ারী, ঢাকা।
জীবন আগে। যদি জীবনকে না বাঁচিয়ে রাখতে পারি তাহলে জীবিকা করে কি লাভ!!
ফাহাদ
পুলিশ লাইন,যশোর।
জীবন বাঁচাতে জীবিকার তাগিদ সর্বাগ্রে। আর বর্তমান পরিস্থিতিতে এর তাগিদ বেড়েছে দ্বিগুণ বলা যায়। কারণ আমরা জানি বাংলাদেশ নিম্নআয়ের দেশ। বিশ্ব ব্যাংকের তথ্যমতে. বাংলাদেশে নিম্নআয়ের মানুষ বা হতদরিদ্র মানুষ রয়েছে ২ কোটি ৪১ লাখ। বিশ্বের এ হিসাব মতে, পঞ্চম স্থানে আছে বাংলাদেশ। বর্তমান পরিস্থিতিতে শুধু দেশই লকডাউনে নেই, লকডাউন আছে এসব নিম্নআয়ের মানুষের আয়-রোজগার। তাই আমার মতে, জীবন বাঁচাতে জীবিকার কোনো বিকল্প পন্থা নেই।
মো. হাসান
বনানী, ঢাকা
জীবন ও জীবিকার মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়া খুবই কষ্টকর! স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলার ব্যাপারটি অবশ্যই সবার আগে বিবেচ্য। অভাব ও ক্ষুধার তাড়নায় অনেকে মারাও যেতে পারে এমন আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় একমাত্র অর্থনৈতিক ত্রাণ সরবরাহ করে তাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে বলে মনে করছি।
মেনহাজুল ইসলাম তারেক
পার্বতীপুর, দিনাজপুর-৫২৫০।
জীবন বনাম জীবিকার দ্বন্দ্বে জেরবার বাংলাদেশ। এভাবে চললে সংক্রমণও ছড়িয়ে পড়বে।
বিলকিছ আক্তার
কাউনিয়া, রংপুর।
সবকিছুরই সারমর্ম এই যে মুরগি আগে না ডিম আগে। আমাদের দশা এখন এমনই।
মনোজ কুমার বিশ্বাস
পার্বতীপুর, দিনাজপুর।
প্রশ্নটি তর্কসাপেক্ষ। সন্তানসন্ততি ও পরিবারের অপরাপর সদস্যদের জীবনের অনিবার্য রসদ যোগানোর দায়বদ্ধতায় ক্রান্তিকালে বেশ লম্বা সময়ে কর্মহীন অভিভাবকের কাছে নিজের জীবনের চেয়ে জীবিকার অত্যধিক গুরুত্ব অনস্বীকার্য। তবে অনির্দিষ্ট সময় ধরে চলা অনিশ্চিত মেয়াদের বিপর্যয়ে রাষ্ট্র বা সরকারের বিনামূল্যে সহায়তা প্রদানের সক্ষমতার সময়সীমাও আলোচিত প্রশ্নের উত্তরকে প্রভাবিত করে। অন্যথায় পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী ও অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিতের মাধ্যমে জীবিকার দ্বার খুলে দিয়ে ব্যক্তি ও রাষ্ট্রের মুমূর্ষু অর্থনীতিকে বাঁচানোর চেষ্টা করাই শ্রেয়।
আবু ফারুক
সদর, বান্দরবান।
অবশ্যই জীবন আগে। জীবনই যদি না থাকে তবে জীবিকা নিষ্প্রয়োজন। কিন্তু জীবন বাঁচাতে প্রয়োজনীয় অর্থের যোগানদাতা হিসেবে জীবিকার প্রয়োজনীয়তাও অপরিবহার্য। দেশের বিদ্যমান সংক্রমণ পরিস্থিতিতে উচ্চবিত্ত ও উচ্চ মধ্যবিত্তরা জীবিকার প্রয়োজন নিবিড়ভাবে অনুভব না করলেও দিন এনে দিন খাওয়া লোকদের কাছে জীবিকার গুরুত্ব জীবনের আগেই।
এ এফ এম সালাহউদ্দীন
বান্দরবান সদর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
জীবনের গতি সচল রাখতে জীবিকাই আসল। তবে জীবন ও জীবিকার এমন প্রশ্নের উত্তর পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল। যদি বিপর্যয়কালীন জীবনের আবশ্যিক চাহিদাটুকু ঘরে থেকেই মেটানো সম্ভব হয় তবে জীবিকার গুরুত্ব নিশ্চিতভাবেই গৌণ। কিন্তু যাদের জমানো টাকা নেই বা যে কোনো পরিস্থিতিতেও নিয়মিত আয়ের পথ বন্ধ তাদের ক্ষেত্রে জীবনের মূল্য জীবিকার সঙ্গেই সম্পর্কিত।
মোহাম্মদ ফয়সাল
পূর্ব মাদারবাড়ি, চট্টগ্রাম।
মানুষের জীবন-জীবিকা বাস্তবে একই সূত্রে গাঁথা। জীবন বাঁচলেই জীবিকার প্রয়োজন হবে। আমি বাঁচলে পরিবার-পরিজন বাঁচাতে পারবো। তাই জীবন আগে।
আলহাজ জিয়াউল হক সরকার,
করমতলা, পূবাইল, গাজীপুর
করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতা যেহেতু এখনো দেশে বিদ্যমান, সেই দিকটা বিবেচনায় একদিকে জীবন রক্ষা যেমন অপরিহার্য তেমনি জীবনের তাগিদে জীবিকাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। জীবিকাই যেন জীবন!
শেখ মোহাম্মদ ফরহাদউদ্দিন
মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ।
জীবন ও জীবিকা একে অপরের পরিপূরক। একটি ছাড়া অন্যটি পঙ্গু। মহামারি করোনায় থেমে গেছে অনেক কিছু; থামেনি ক্ষুধা। সময় বাস্তবতায় এ মুহূর্তে জীবন ও জীবিকার কোনো পৃথক অস্তিত্ব আছে বলে আমি মনে করি না।
মাহবুবুল হক ইকবাল
দক্ষিণ আলেকান্দা, বরিশাল।
