পলিথিনকে না বলুন

আপডেট : ১৪ মে ২০২০, ২৩:০১

পলিথিন ব্যবহারের কুফল সম্পর্কে সবাই কমবেশি অবগত থাকলেও কমছে না এর ব্যবহার। অথচ পলিথিনের বিকল্প হিসেবে পাটের ব্যাগ ব্যবহার নিয়ে জনগণের মধ্যে সাড়া নেই বললেই চলে। ২০০২ সালে পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হলেও তেমন সুফল মেলেনি। তবে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পলিথিন ব্যবহারে নিরুত্সাহিত করতে ২০১০ সালে পলিথিন নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় ১১টি পণ্যের পাটজাত মোড়কের ব্যবহারে বাধ্যতামূলক আইন জারি করা হয়। পরে ১৯টি পণ্যে এই আইন করা হলেও বাস্তবে এর প্রভাব তেমন লক্ষ করা যায় না। বরং পলিথিনের ব্যবহার বেড়েই চলেছে। বিভিন্ন পণ্য পলিথিন ব্যাগে বহন করে পরে সেগুলো বিভিন্ন জায়গায় ফেলা হচ্ছে। এক জরিপ থেকে জানা যায়, প্রতিদিন ঢাকায় অন্তত ২ কোটি পলিথিনের ব্যাগ ব্যবহার হয়। উত্পাদন থেকে শুরু করে বাজারজাতকরণ মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি। পলিথিন থেকে নির্গত বিষ খাবারে মিশে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে। পলিথিন মাটিতে মেশে না বলে মাটি দূষিত হয়। তাছাড়া জলাবদ্ধতা সৃষ্টি, নদীর তলদেশে জমাট সৃষ্টি পলিথিনের অপকারী দিক। পলিথিনের কুফল বেশি হওয়ায় হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে জনজীবন। এর কুফল থেকে বাঁচার জন্য আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে ব্যক্তিসচেতনতা বাড়াতে হবে। পাটজাত মোড়ক ব্যবহারের বিকল্প নেই।

ইসরাত জাহান শিউলী

শিক্ষার্থী, ফিন্যান্স বিভাগ,জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা