রূপালী ব্যাংক শিওর ক্যাশ

আপডেট : ১৬ মে ২০২০, ২২:৪১

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধ করতে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্যে একটি হলো উপবৃত্তি প্রদান। গত বছরের শেষ তিন মাসের বকেয়া অর্থ ও চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসের অর্থ একসঙ্গে ঈদের আগেই দেওয়া হচ্ছে। এই অর্থবছরে উপবৃত্তির হার বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জামা, জুতো ও ব্যাগ কেনার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া কিড অ্যালাউন্সের ১০০০ টাকাও দেওয়া হবে। রূপালী ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং শিওর ক্যাশের মাধ্যমে অভিভাবকদের কাছে তা পৌঁছে যাবে। ফলে নির্দিষ্ট কেন্দ্রে যাওয়ার সময়, শ্রম ও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে। এছাড়াও কর্তৃপক্ষ উপবৃত্তির অর্থ উত্তোলনে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের প্রচলিত চার্জ বা খরচও সংশ্লিষ্ট এজেন্ট বা প্রতিনিধিদের আলাদা প্রদান করেন। কিন্তু কতিপয় প্রতিনিধি অভিভাবকদের সরলতার সুযোগে এক্ষেত্রে নানা অসদুপায় অবলম্বন করে ২০-৩০ টাকা আদায় করেন। আবার  মোবাইল হিসাবের গোপন নম্বর পরিবর্তন করে পুরো অর্থও আত্মসাত্ করা হয়। আর এর দায় চাপানো হয় বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ওপর! অথচ উপবৃত্তির তালিকা জমা দেওয়া ছাড়া তাঁদের কোনো সংশ্লিষ্টতা থাকে না। তাই উপর্যুক্ত বিষয়ে রূপালী ব্যাংক শিওর ক্যাশ কর্তৃপক্ষের যথাযথ পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছি।

আবু ফারুক

সহকারী শিক্ষক,

ভাগ্যকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বান্দরবান