রয়টার্স
থাইল্যান্ডে গতকাল শনিবার নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কিংবা মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। ৯ মার্চ মহামারি শুরুর পর এ নিয়ে দ্বিতীয়বার একই দিনে কারো দেহে করোনা শনাক্ত হয়নি কিংবা তাতে কেউ মারা যায়নি। গত বুধবারও থাইল্যান্ডে আক্রান্ত আর মৃতের হার ছিল শূন্য। এদিকে আজ রবিবার থেকে শপিংমল, রেস্তোরাঁ, পার্ক, জাদুঘর, পাঠাগার ও শিক্ষাকেন্দ্র খুলে দেওয়া হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত থাইল্যান্ডে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ২৫ জন এবং মৃত্যু ৫৬। সব রোগীর মধ্যে ২ হাজার ৮৫৫ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন এবং এখনো চিকিত্সা চলছে ১১৪ জনের। কোভিড-১৯ পরিস্থিতি প্রশাসন কেন্দ্রের মুখপাত্র ডা. তাউইসিল্প বিসানইয়োথিন শনিবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আজ দেশে দুটিই (নতুন আক্রান্ত ও মৃত্যু) শূন্য। সব থাইকে ধন্যবাদ, যারা তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছেন।’ চীনের উহানে প্রথম করোনা ভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত হওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে থাইল্যান্ডে কোভিড-১৯ রোগী ধরা পড়লেও প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে বড়ো ধরনের সাফল্য দেখিয়েছে দেশটি। ১৩ জানুয়ারিতে দেশটিতে প্রথম কোভিড-১৯ শনাক্ত হওয়ার পর চার মাস পার হলেও দেশটিতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা তুলনামূলক-ভাবে অনেকটা কম।
এদিকে আজ রবিবার থেকে শপিংমল, রেস্তোরাঁ, পার্ক, জাদুঘর, পাঠাগার ও শিক্ষাকেন্দ্র খুলে দেওয়া হচ্ছে। বার খুলবে টেকওয়ে সার্ভিসের ভিত্তিতে, ফ্রি ওয়েট ট্রেনিং ও ইয়োগাসহ আংশিকভাবে খুলবে জিম। দেশ জুড়ে কারফিউর সময় এক ঘণ্টা কমানো হয়েছে, এখন থেকে থাইরা রাত ১১টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত ঘরের বাইরে বের হতে পারবেন না।
