ঈদের আগে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন মাত্র ৫০৯৪ জন

আপডেট : ১৭ মে ২০২০, ০০:২০

ঈদের আগে নতুন এমপিওভুক্ত হওয়া ২ হাজার ৬১৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩৩ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে মাত্র ৫ হাজার ৯৪ জন বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। গত ২ মে থেকে ৫ মে পর্যন্ত মাত্র চার দিন সময় দেওয়ায় দুই তৃতীয়াংশ শিক্ষক-কর্মচারী আবেদন করতে পারেননি। আবার সার্ভার সংক্রান্ত জটিলতা থাকায় অনেক শিক্ষক-কর্মচারী কাগজপত্র নিয়ে বসে থাকলেও অনলাইনে আবেদন সাবমিট করতে পারেননি। এ কারণে এত কম সংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারী এই সুবিধা পাবেন। যারা আবেদন করতে পারেননি তারা পররর্তী ধাপে সুযোগ পাচ্ছেন।

মাউশি অধিদপ্তর সূত্র জানায়, নতুন এমপিওভুক্ত হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য দ্বিতীয় দফায় আগামী ২২ মে থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে, তা চলবে ৩১ মে পর্যন্ত। ৪ জুনের মধ্যে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা এবং ৮ জুনের মধ্যে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে। ১৫ জুনের মধ্যে এমপিও আবেদনের কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে আঞ্চলিক উপপরিচালকদের। এরপর দুই-চার দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় বৈঠক করে দ্বিতীয় দফায় এমপিও দেওয়া হবে।

নতুন এমপিওভুক্ত কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১২১ জন শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রাথমিক যাচাই শেষে অধিদপ্তরে আসা নতুন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ৩০৯টি আবেদন যাচাই শেষে এসব শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন এমপিওভুক্ত মাদরাসার ১ হাজার ৩৪৭ জন শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। গত শুক্রবার মাদ্রাসার এমপিওর কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, নতুন এমপিওভুক্ত হওয়া শিক্ষক-কর্মচারীরা ঈদুল ফিতরের আগেই গত বছরের জুলাই মাস থেকে দুইটি ঈদ উত্সব ভাতা, বৈশাখী ভাতা ও এপ্রিল মাস পর্যন্ত বেতন পাচ্ছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী গত বছরের ১ জুলাই থেকে এরিয়ারসহ পাচ্ছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। গত বছরের আগস্টে ঈদুল আজহার বোনাসটি বকেয়া পাবেন তারা। আর গত মাসে পুরোনো এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা যেভাবে বৈশাখী ভাতা পেয়েছেন তেমনি নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা পাবেন। এটি তারা বকেয়া হিসেবে পাবেন। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আগামী ২৫ মে অনুষ্ঠিতব্য ঈদুল ফিতরের ভাতা।

দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পর গত ২৩ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২ হাজার ৭৩০টি প্রতিষ্ঠান এমপিভুক্তির ঘোষণা দেন। এরপর দীর্ঘ ছয় মাস যাচাই-বাছাই শেষে গত ২৯ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ১ হাজার ৬৩৩ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগ ৯৮২টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা চূড়ান্ত করে।