স্পোর্টস ডেস্ক
প্রায় দুই মাসের প্রতীক্ষার অবসান। করোনা ভাইরাসের স্থগিতাদেশ কাটিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী শালকেকে ৪-০ ব্যবধানে হারিয়ে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড করল ‘শুভসূচনা’। দিনের অন্য ম্যাচে জয় তুলে নিল ফরচুনা ডুইসেলডর্ফ, হার্থা বার্লিন আর বরুসিয়া মনশেনগ্লাগবাখও। তবে সবকিছুই যেন ছাপিয়ে গেল সামাজিক দূরত্বের কড়াকড়ি। ‘ডাগআউটে সবার মুখে ফেসমাস্ক বাদে তো আর কোনো পার্থক্যই দেখছি না!’-কথাটা আগের দিনই বলেছিলেন বায়ার্ন মিউনিখ কোচ হ্যান্সি ফ্লিক। কিন্তু করোনাপূর্ব আর করোনাকালের ফুটবলের পার্থক্যটা যে বিশাল, সেটা ঠাহর করা গেল ম্যাচের শুরুতেই। খেলোয়াড়রা আলাদা আলাদা হয়ে ঢুকলেন মাঠে, যেখানে দর্শকের উপস্থিতি রীতিমতো কল্পনাতীত।
করোনাপূর্ব ফুটবলে যেখানে প্রতিপক্ষের সঙ্গে হাত না মেলানোটা হয়ে থাকত চরম ঔদ্ধত্যের প্রতীক, সেখানে একালের ফুটবলে সে ঔদ্ধত্যটাই হয়ে গেল অলঙ্ঘনীয় রীতি। রেফারি এলেন সবার শেষে। খেলোয়াড়রা আলাদা আলাদা হয়ে যেন বসতে পারেন সেজন্য ডাগআউটটাকেই ঢেলে সাজানো হলো। তাতে খেলোয়াড়রা বসলেন ফেসমাস্ক পরে। এত পরিবর্তনের মধ্যেও অবশ্য বেশ কিছু ব্যাপার রয়ে গেছে আগের মতোই। ঘরের মাঠে শেষ আট ম্যাচেই ম্যাচে আগে গোল পেয়েছে বরুসিয়া। এদিনও পেল, ২৯ মিনিটে আর্লিং হালান্ডের কল্যাণে; যিনি চলতি মৌসুমে এরই মধ্যে ভিন্ন তিনটি প্রতিযোগিতায় করেছেন কমপক্ষে দশটি করে গোল। এরপর রাফায়েল গেরেইরোর জোড়া গোল আর থর্গ্যান হ্যাজার্ডের লক্ষ্যভেদে বড়ো জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বরুসিয়া। এদিকে হার্থা বার্লিন হফেনহাইমকে ৩-০ গোলে আর বরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখ আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টকে হারিয়েছে ৩-১ ব্যবধানে। অগসবুর্গের বিপক্ষে ভলফসবুর্গের জয়টা ২-১ গোলের। বাকি দুই ম্যাচে ড্র নিয়ে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছে লাইপজিগ, ফ্রেইবুর্গ, ডুইসেলডর্ফ আর প্যাডেরবর্ন।
