শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের এক সিনিয়র নার্সকে হত্যার হুমকিদাতা একই হাসপাতালের কর্মচারী তৌহিদুল ইসলাম হূদয়কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার হত্যার হুমকির প্রতিবাদে সব নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করার পর গতকাল হূদয়কে গ্রেফতার করা হয়।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ সরকারি হাসপাতালের আউট সোর্সিং কর্মচারী তৌহিদুল ইসলাম হূদয় বহিরাগত কয়েকজন সন্ত্রাসী নিয়ে জরুরি বিভাগে নার্সদের রুমে গিয়ে তার নির্দেশ মতো কাজ করার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। এতে জরুরি বিভাগের সিনিয়র ব্রাদার মশিউর রহমান তার কথার প্রতিবাদ করলে তাকে দুই দফা মারধর করে এবং বলে এই হাসপাতাল তার নির্দেশে আগেও চলেছে এখনো চলবে। আমার নির্দেশ মতো কাজ না করলে ‘কোমরে থাকা পিস্তল দেখিয়ে’ বলে, এখানে সবাই তার কথা শোনে, তুই আমার কথা না শুললে তোকে গুলি করে মেরে ফেলব।
এ ঘটনার পর ব্রাদার মশিউর রহমান বাদি হয়ে তৌহিদুল ইসলাম হূদয়সহ শাওন ও শুভর নাম উল্লেখ করে টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
জানা যায়, টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ সরকারি হাসপাতালের আউট সোর্সিং কর্মচারী হূদয়কে ঝাড়ুদার হিসেবে এই হাসপাতালে বেসরকারি একটি কোম্পানি চাকরি দেয়। এর পর থেকে হাসপাতালে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার পারভেজের আস্তাভাজন হয়ে পড়ায় পুরো হাসপাতাল তার নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
এ বিষয়ে হাসপাতালের আবাসিক অফিসার ডা. পারভেজ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে, তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারব না। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক (উপ-পরিচালক) ডা. নিজাম উদ্দিন বলেন, আমরাও বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি কী করা যায়।
টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তৌহিদুল ইসলাম হূদয়কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
