সমতার ভিত্তিতে সুলভ মূল্যে করোনার ওষুধ দিতে হবে: হু’কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী 

আপডেট : ১৯ মে ২০২০, ০১:৪৬

করোনার ভাইরাসের ওষুধ নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, মহামারী ঠেকাতে করোনা ভাইরাসের ওষুধ সুলভ মূল্যে পাওয়ার অধিকার যেন সবাই পায় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। সোমবার রাতে জেনেভায় অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলিতে ভার্চুয়াল বক্তব্যে এমন দিাবি করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
    
করোনা ভাইরাস মহামারি প্রতিরোধে সবার সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা রোধে অসমতা কমাতে হবে এবং গরীবদের সহায়তা দিয়ে মানুষের মঙ্গলের জন্য নতুনভাবে চিন্তা করতে হবে।

জাহিদ মালিক বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কৌশল অনুযায়ী দেশের গোটা সরকারি ব্যবস্থা মহামারি মোকাবিলায় কাজ করছে। ভাইরাসটির সঙ্গে লড়তে জাতীয় প্রস্তুতি ও রেসপন্স পরিকল্পনা তৈরি করেছি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মহামারি মোকাবিলা করার জন্য নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর যতটুকু সহযোগিতা প্রয়োজন সেটি দেওয়া উচিৎ। সেই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার জন্য আমাদের ডিজিটাল স্বাস্থ্য সমাধান তৈরি করতে হবে। সবার জন্য পুষ্টি নিশ্চিত করার জন্য এই গোটা প্রক্রিয়ায় আমরা যেন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে আমাদের প্রতিশ্রুতি ভুলে না যাই সেটা মনে রাখতে হবে।

জেনেভায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি শামীম আহসান সমতার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, মহামারি মোকাবিলা করতে হলে অসমতার পার্থক্যগুলোকে বেড়ে উঠতে দেওয়া যাবে না। প্রতিটি সমাজেই অসমতা আছে।

করোনার ওষুধের সুলভ মূল্য ও সমতার ভিত্তিতে বণ্টন করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওষুধের দাম বেশি হলে তা একটি বড় জনসংখ্যা নাগালের বাইরে চলে যাবে। বাংলাদেশ চায় নতুন ওষুধ যেন বিশ্বব্যাপী পাবলিক গুডস হিসাবে ব্যবহার হয়।

আরও পড়ুন: ৩২ বছরে এবারই প্রথম ঢাকায় একা ঈদ করছি: মুশফিক

৮০ শতাংশের বেশি খরচ স্বপ্রণোদিত অনুদান থেকে আসে জানিয়ে শামীম বলেন, সদস্য রাষ্ট্রগুলো যে অর্থ দেয় সেটি দিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তার খরচ মেটাতে পারেনা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কার্যক্রম চালানোর জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা জোগাড় করতে সংস্থাটি সমস্যায় আছে। তবে কোনও সংস্থাই ১০০ শতাংশও ঠিকমতো চলে না এবং এধরনের চাপের মুখে পড়লে সংশোধন করার চেষ্টাটা অব্যাহত থাকে।

ইত্তেফাক/আরআই