এই করোনাকালে চিকিত্সাসেবা দিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন মেডিক্যাল অফিসার, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার, নার্স ও মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকতা-কর্মচারীবৃন্দ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র ও উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সে চিকিত্সাসেবা অব্যাহত রেখেছেন ডিপ্লোমা চিকিত্সক তথা উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসারসহ বেকার ডিপ্লোমা চিকিত্সকরা। সম্মুখ সারির যোদ্ধা হিসেবে তাঁরা নিজেদের উত্সর্গ করলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এমবিবিএস এবং নার্স নিয়োগের ঘোষণা দিলেও উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসারদের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন অসংখ্য উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার পদ ফাঁকা থাকলেও নিয়োগবিধি না থাকার অজুহাতে গত ৭ বছর ধরে নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। যার ফলে প্রায় ২০ হাজার ডিপ্লোমা চিকিত্সক মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এদিকে শূন্য পদ দ্রুত পূরণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হচ্ছে না। আশা করি, তাঁর সদয় হস্তক্ষেপে অসংখ্য বেকার ডিপ্লোমা চিকিত্সক গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় নিজেদের নিয়োজিত করার সুযোগ পাবেন।
ডা. মো. আরিফুল ইসলাম
ডিএমএফ, বিএমডিসি রেজি নং-ডি ৭৪৮৮,
ম্যাটস, সিরাজগঞ্জ
