নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। আম্ফানের প্রভাবে বুধবার (২০ মে) দুপুরে উপজেলায় বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে ৫ টি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ৩-৪ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে করে লক্ষাধিক লোক পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
বিধ্বস্ত হয়েছে নিঝুম দ্বীপ, চরঈশ্বর, নলচিরা, সুখচর ও চরকিং ইউনিয়নের শতাধিক কাঁচা ঘর। এছাড়া নিঝুমদ্বীপ, কেরিংচর, নলেরচর, বয়ারচর ও ঢাল চরের নিচু এলাকা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ায় এসব এলাকার অধিকাংশ লোকজনকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন ও সিপিপির কর্মীরা।
আরো পড়ুন: শ্যামনগরে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে পাউবো বাঁধে ভাঙ্গন
এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের ভয়াবহতার আশঙ্কায় স্থানীয় লোকজন ইতিমধ্যে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে এবং এখনো আসা অব্যাহত রয়েছে।এমনকি তাদের গবাদি পশু ও মূল্যবান জিনিসপত্র আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসতে শুরু করেছে।
হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রেজাউল করিম ইত্তেফাককে জানান, উপজেলা কন্ট্রোলরুম থেকে সার্বক্ষণিক বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। কয়েকটি মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় খাবার সরবরাহ করা হয়েছে ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে রাতের বেলা মানুষজনের যাতে অসুবিধা না হয় সেজন্য সোলার ব্যবস্থার পাশাপাশি জেনারেটরের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
ইত্তেফাক/এএএম

