নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঈদ উদ্যাপনের লক্ষ্যে নাড়ির টানে ঘর অভিমুখে ছুটে চলেছেন অনেকে। এই করোনা মহামারির সময় এভাবে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাতায়াত কি সঠিক ও যুক্তিসংগত? এই ব্যাপারে টেলিফোন ও ই-মেইলে প্রাপ্ত পাঠকদের অভিমত আজ প্রকাশিত হলো
সরকারি নির্দেশনা ও আইনের প্রতি আমাদের অনেকের শ্রদ্ধা ও দায়িত্বশীলতা কতটা কম তা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় চলমান করোনা সংক্রমণকালের শুরু থেকেই খুব বেশি স্পষ্ট। সর্বশেষ ঈদ উপলক্ষ্যে নিজ নিজ অবস্থান ছেড়ে না যাওয়ার কঠোর নির্দেশনাও চরমভাবে উপেক্ষিত। যারা এভাবে ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি যাচ্ছেন তারা একবারও ভাবছেন না, সংক্রমণের পরিধি ও সংখ্যা বাড়লে দেশের শিক্ষা, বাণিজ্যসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ ও স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডের চলমান স্থবিরতার মাত্রাও ক্রমশ দীর্ঘায়িত হবে। কারণ গণহারে এমন গ্রামে যাওয়া ‘সংক্রমণ’ নামক অগ্নিকাণ্ডকে বিস্তৃতই করবে। ‘করোনা যোদ্ধা’ খ্যাত বিভিন্ন শ্রেণির অসংখ্য মানুষ যখন দিনের পর দিন পরিবারের কথা ভুলে ঘরের বাইরে থেকে করোনা সংক্রমণের চিকিত্সা ও বিস্তার প্রতিরোধে ক্লান্তিহীন যুদ্ধ করছেন তখন সেই মৃত্যুদূতকে আঘাত হানার সহজ সুযোগ তৈরি করে দিতে আমাদের এমন ঘরে যাওয়া সত্যিই দুঃখজনক।
আবু ফারুক
সহকারী শিক্ষক
ভাগ্যকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সদর, বান্দরবান।
সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঢাকা থেকে নানাভাবে বাড়ি ফিরছে মানুষ। ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী ও বিভিন্ন বিভাগের এসব মানুষ নাড়ির টানে পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতেই বাড়ি যাচ্ছে। এজন্য তারা ঝুঁকিও নিচ্ছে। মিনিট্রাকে, সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং ভাড়াকৃত মোটরসাইকেলে চড়ে তারা ছুটছে। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের চেকপোস্ট থাকায় পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে সেখানে তারা নেমে খানিকটা পায়ে হেঁটে আবার অন্য পরিবহনে উঠে রওনা হচ্ছে। দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সরকার গণপরিবহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ঢাকা না ছাড়তেও নিষেধ করা হয়। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা না মানায় বর্তমানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশেই বেড়ে যাবে বলে মনে করি।
অমিত বণিক
উত্তরা, ঢাকা।
দেশে ২৬ মার্চ থেকে লকডাউন চলছে। অনেক চাকরিজীবীই পরিবার-স্বজন ছেড়ে কর্মস্থলে রয়েছেন প্রায় দুই মাস। তাদের কথা চিন্তা করে সরকার পারত সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে গণপরিবহনের ব্যবস্থা করতে। সারা বিশ্বে বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা লোকদের দেশে ফেরাতে কিংবা এদেশে আটকে পড়া লোকদের নিজ নিজ দেশে ফেরাতে অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তারা যদি এ ব্যবস্থায় ঘরে ফিরতে পারে, তবে মধ্যবিত্ত শ্রেণির চাকরিজীবীর ক্ষেত্রে কেন এমন নীতি অনুসৃত হবে না? সরকার কোনো গণপরিবহনের ব্যবস্থা না করাতে লোকজন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নানাভাবে ফিরছে গ্রামের বাড়িতে, পরিবারের কাছে। এতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। এ জন্য আমি লোকজনকেও দোষ দেব না। কেননা, সবাই চায় পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে।
ঋতা
কুমিল্লা
গ্রামে যাচ্ছে মানুষ। ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া বিভিন্ন যানবাহনে দেখা যাচ্ছে মানুষের উপচে-পড়া ভিড়। কিন্তু সিংহভাগ মানুষই এই ভিড় মানছেন না! যদি মানতেন, তাহলে তারা ‘ঈদের আনন্দে’ উপচে-পড়া ভিড় উপেক্ষা করে গণপরিবহনে উঠে বাড়ি যেতেন না। বরং তারা ঘরে বসে করোনা প্রতিরোধে সহায়তা করতেন।
সাবরিনা সুলতানা
ন্যাশনাল কলেজ অব হোম ইকোনমিকস
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যু দুই দিক থেকেই নতুন রেকর্ড হচ্ছে। এই মহামারির মধ্যে গণপরিবহন বন্ধ থাকা সত্ত্বেও মানুষ যে যেভাবে পারছে গ্রামে যাচ্ছে। যেহেতু করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কেন্দ্র ঢাকা শহর, তাই ঢাকা থেকে সংক্রমণ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে রাজধানী থেকে দেশের অন্যত্র সব যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করেছে সরকার। আমরা যদি এভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখি তাহলে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও মৃত্যু দুইই বাড়বে আরো বেশি হারে।
সাদিয়া সুলতানা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ , সাভার, ঢাকা।
ঈদ উপলক্ষ্যে নগরবাসীর নাড়ির টানে বাড়ি যাওয়ার পর বিপদ হতে পারে—তা বোধহয় ঘরমুখো যাত্রীরা ভুলে গেছেন। সরকার বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারণা চালানোর পরও ঘরমুখো স্রোত বন্ধ করতে পারেননি। যানবাহন ছাড়াই কেউ পায়ে হেঁটে, কেউ ভ্যানগাড়িতে এবং কেউ নৌকাযোগে ঘরমুখো হয়েছেন। তবে তাদের গ্রামে যাওয়ার পর যেসব সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন সেগুলোর ব্যাপারে পরিবারের প্রধান বা গ্রামের মাতব্বরদের সতর্ক দৃষ্টি রাখা উচিত। প্রয়োজনবোধে শহর ছেড়ে গ্রামে যাওয়া মানুষকে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে রাখা উচিত। আমরা মনে করি, এ ব্যাপারে সবাই সচেষ্ট থাকবেন।
মাখরাজ খান
সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ
সারাবিশ্ব মহাসংকটের সম্মুখীন। এই সময় সামাজিক দূরত্ব মেনে চলাটা বাধ্যতামূলক। আর যারা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে গ্রামে রওনা দিয়েছেন তাদের জানা উচিত তারা কতটা বিপদের মধ্যে আছেন। বাড়িতে যাওয়ার পরে দেখা যাবে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ছে করোনা ভাইরাস। তাই এটা বিবেকবান ব্যক্তিদের বিবেক বহির্ভূত কাজ বলে মনে করি।
খন্দকার কামরুজ্জামান
উত্তর পীরের বাগ, মিরপুর, ঢাকা
এক দিকে করোনা, অন্যদিকে সরকারের নিষেধাজ্ঞা। তবু মানুষ ছুটছে গ্রামে। এই ভয়ংকর করোনার আক্রমণে এখন যদি সারা গ্রাম ছড়িয়ে পড়ে তাহলে আশ্চর্য হওয়ার কিছু থাকবে না। মানুষ কেন যে এতোটা অসচেতন তা ভাবতেই কষ্ট লাগে।
শামিম আহমেদ
ভালুকা বাজার, ভালুকা, ময়মনসিংহ
আর মাত্র দুই দিন পর ঈদ হবে। করোনার প্রাদুর্ভাবের পরও ঈদ পালন করতে হবে। করোনার হাত থেকে মুক্তি দেবেন সৃষ্টিকর্তা এই কামনা করি।
ফারুক আহমেদ
বাঘমারা, রাজশাহী
মহানবি (স) বলেছেন, ‘কোনো স্থানে যদি মহামারি হয় তাহলে তোমরা যেখানে আছো সেখানেই থাক, জায়গা ত্যাগ কর না’। আর আমরা ঈদ পালন করার জন্য কর্মস্থল থেকে ঘরে ছুটছি! অনেকে ভয়ে মহামারির জায়গায় থাকতে চাচ্ছেন না। সরকারের কারফিউ দেওয়া উচিত ছিল ঈদের ১০ দিন আগে ও পরে।
ফাহাদ ফারদীন
যশোর।
সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশনা ছিল, যে যেখানে আছে সেখানেই তাকে ঈদ পালন করতে হবে। অথচ লোকজন সেই কথা না শুনে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ির দিকে রওয়ানা দিয়েছে। ব্যাপারটি শুধু সরকারি নির্দেশ অমান্য করাই নয়, বরং চূড়ান্ত রকম বিপদজনক। যদি ঢাকা থেকে যাওয়া লোকটি করোনা পজিটিভ হয়, তবে ঈদের আগেই হয়তো তার বাড়িতে আক্রান্ত লোকের সংখ্যা বাড়বে। মৃত্যু হওয়াটাও অস্বাভাবিক নয়।
স্নেহা মৌ,
বেনাপোল, যশোর।
আমাদের দেশের ঈদের রীতি পরিবারের সবার সঙ্গে ঈদ উদ্যাপন করা, যার কারণে প্রত্যেক বছর মানুষ নাড়ির টানে বাড়ি ফেরে, কিন্তু এ বছর বাড়ি ফেরা অনেকটা মৃত্যু সমতুল্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ মানুষ সরকারের, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙ্গুল প্রদর্শন করে দলে দলে ভিড় করছে বাড়ি যাবার জন্য যা কোনোভাবেই ঠিক নয়। কারণ মানুষের ঈদ করার জন্য বাড়ি যাওয়া হতে পারে তার পরিবারের জন্য অভিশাপ, এই আনন্দের ঈদ দুঃখের সাগরেও পরিণত হতে পারে।
ফারজানা বিনতে মুরাদ
মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর।
বাঙালি মাত্রই যে কোনো ছুতোয় বাড়ি যেতে পারলে আনন্দ অনুভব করে। এ বাংলার মানুষ অতি আবেগপ্রবণ এবং নীরব আত্মঘাতী। সেজন্য এবারের ঈদ উদ্যাপনের জন্য ঘরে ছুটা একেবারে ঠিক হয়নি। এই ঢল নিরাপদ গ্রামের মানুষগুলোকে সংক্রমিত করবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে কিছু রোধ করা সম্ভব।
দুলাল চন্দ্র মজুমদার
সহকারী অধ্যাপক, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ
অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়, বরিশাল
ধর্মীয় উত্সব দুই ঈদে মুসলমানদের দলে দলে ঘরমুখো হওয়ার প্রবণতা রয়েছে। বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ বিভিন্ন যানবাহনে গাদাগাদি করে বাড়ি ফেরা খুবই পরিচিত দৃশ্য। কিন্তু করোনা ভাইরাসের মহামারির মধ্যে এবারের ঈদযাত্রা মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। বর্তমানে দেশে যেভাবে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, তাতে বাড়ি যাওয়া এবং ঢাকা ফেরা আত্মঘাতী হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। এ সময়কে নিয়েই দুশ্চিন্তা বাড়ছে সবার। গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকলেও প্রাইভেটকার, মাইক্রো ও মোটরসাইকেলে চড়ে শত শত ঘরমুখো যাত্রী ঢাকা ছাড়ছেন যা উদ্বেগজনক।
মো. জিল্লুর রহমান
সতিশ সরকার রোড, গেন্ডারিয়া, ঢাকা
বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা ঘোরে শহরকেন্দ্রিকভাবে। ফলে নিয়মিত ও স্থায়ী কর্মসংস্থানের জায়গা হলো ঢাকাসহ বিখ্যাত জেলা ও বিভাগীয় শহরগুলো। আবাসন ও আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্যতা না থাকায় অনেকেই পরিবার পরিজন নিয়ে কর্মস্থলের আশপাশে থাকতে অপারগ। ফলে বাধ্যতামূলক পরিবার পরিজন থেকে দূরে থাকতে হয়। এই পরিস্থিতিতে ঈদ, পূজা, পালা-পার্বণে বিদ্যাসাগরের জাতি যেখানে খরস্রোতা নদী সাঁতরিয়ে যেতে অভ্যস্ত সেখানে স্থলপথে তার যাত্রা রুধিবে কে? তাই করোনা ভাইরাস রক্ষাবিধি অক্ষরে অক্ষরে মেনে নিজে বাঁচি এবং অপরকে বাঁচার সুযোগ দেওয়ার মতো মনমানসিকতা নিয়ে এই মহাদুর্যোগে সাধ্যমত এগিয়ে আসার মন্ত্রে জাতি উদ্বুদ্ধ হোক এই কামনাই করি।
ভুঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী (মজির)
মদন পাল লেন, নবাবপুর, ওয়ারী, ঢাকা।
আবেগের কাছে অনেক সময় বিবেক কাজ করে না ্এমনকি আইনও নয়। সুখে হাসে দুঃখে কাঁদে, তেমনি প্রয়োজনে বা আবেগতাড়িত হয়ে প্রিয়জনের কাছে মানুষ যাবে তা আইন করে ঠেকানো মুশকিল। আমার মনে হয় করোনার ভয়াবহতা বুঝতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। জাতি হিসেবে আমাদের ধৈর্য্যেরও অভাব রয়েছে। এ প্রবণতা থেকে বের হতে হবে।
মো. ফিরোজ আহম্মেদ
সেকশন-৬, মিরপুর, ঢাকা
কেবল ঈদের আনন্দ বাড়াতে নানা ঝক্কি-ঝামেলা করে ঘরে ছুটছেন শহরের মানুষ। কিন্তু নিজেদের অতিরিক্ত আনন্দের চেয়ে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে নির্দেশনা মেনে চলাফেরায় সংযমের চর্চা করাটা প্রতিটি নাগরিকের একান্ত কর্তব্য। সরকারের উচিত ছিল সাধারণ ছুটিকালীন প্রাথমিক পর্যায়ের মতো যাত্রী পরিবহনের যাবতীয় মাধ্যম পুরোদমে বন্ধ রাখা। প্রশাসনের কঠোর অবস্থানও একই সঙ্গে কাম্য। অন্যথায় ঈদের পরেই সংক্রমণের বিস্তার আয়ত্তের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ এফ এম সালাহউদ্দীন
বান্দরবান সদর, বান্দরবান পাবর্ত্য জেলা।
নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঘরে ছোটা মানে অদৃশ্য ঘাতক ভাইরাসের সংক্রমণের পথ মসৃণ করে দেওয়া। যারা এ কাজটা করছেন তারা আবেগের বশে নিজেদের বিচক্ষণতাকে হারিয়ে ফেলেছেন। শহর ছাড়িয়ে এবার প্রত্যন্ত গ্রামেও মড়ক লাগাটা কেবল সময়ের অপেক্ষা মাত্র।
মোহাম্মদ ফয়সাল
ডিটি রোড, পূর্ব মাদারবাড়ী, চট্টগ্রাম।
সরকার জাতীয় স্বার্থে নিজ নিজ স্থানে অবস্থান করে ঈদ উদ্যাপন করতে বলেছেন। ফলে অনেকেই অন্যান্য বছরের মতো ঈদ আনন্দ পরিবার-পরিজনদের নিয়ে করতে পারছেন না। অনেকে নাড়ির টানে ছুটে চলেছেন ঘরে। এতে সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বিঘ্নিত হচ্ছে। পরিবারের স্বাস্থ্য ও জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় নিষেধ উপেক্ষা করে এভাবে ঈদ উদ্যাপনে যোগ দেওয়া ঠিক হচ্ছে না।
আলহাজ জিয়াউল হক সরকার
করমতলা, পূবাইল, গাজীপুর মহানগর।
