যথাযথ প্রস্তুতি থাকায় ক্ষয়ক্ষতি কম : কাদের

আপডেট : ২১ মে ২০২০, ২৩:০৪

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, সরকারের যথাযথ পূর্বপ্রস্তুতি থাকায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি অনেক কম হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সংসদ ভবনের সরকারি বাসভবনে      অনলাইন সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার দক্ষতার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, যার কারণে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি আশঙ্কার তুলনায় অনেক কম হয়েছে। সরকার দুর্যোগপূর্ব, দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্বাসন প্রস্তুতি যথাযথভাবে সম্পন্ন করেছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ঝড়ের আগে বিভিন্ন জেলা প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রায় ২৪ লাখ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিরাপদে নিয়ে এসেছে। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষ করোনার পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা করছে। আমাদের আজ দুটো চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে হচ্ছে। আমি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। তিনি বলেন, আল্লাহর অশেষ রহমত, পবিত্র লাইলাতুল কদরে মানুষের দোয়া এবং শেখ হাসিনা সরকারের পূর্বপ্রস্তুতির কারণে এই ঘূর্ণিঝড় হতে অল্প ক্ষয়ক্ষতির মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছি। সুন্দরবন সুরক্ষা প্রাচীর হিসেবে কাজ করেছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের আঘাতে সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, যশোর, হাতিয়াসহ বেশ কিছু এলাকায় জলোচ্ছ্বাস, বেড়িবাঁধে ভাঙন, ফসলহানি এমনকি প্রাণহানিও ঘটেছে। যারা প্রাণ হারিয়েছেন আমি তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে আশঙ্কার তুলনায় ক্ষয়ক্ষতি কম হওয়ায় মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি শুকরিয়া জানাচ্ছি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্বাসন, পনিবন্দি মানুষের সুরক্ষা, ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামতে শেখ হাসিনার সরকার ও আওয়ামী লীগ আপনাদের পাশে রয়েছে। মনে রাখবেন—আপনারা একা নন, শেখ হাসিনার মতো দরদী, দক্ষ নেতৃত্ব সার্বক্ষণিকভাবে আপনাদের সঙ্গে আছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আবারও সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, কিছু দিন ধরে অসাবধানতা ও অসচেতনতার জন্য করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বেড়েই চলেছে। যারা সামাজিক দূরত্ব মানছেন না, অহেতুক এখানে সেখানে সমাগম করছেন, তারা জেনে-শুনেই সংক্রমণ ও মৃত্যুকে ডেকে আনছেন।