ঘূর্ণিঝড় আম্ফান

জরুরি উদ্ধার, ত্রাণ ও চিকিত্সা সহায়তা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী

আপডেট : ২১ মে ২০২০, ২৩:০৪

ঘূর্ণিঝড় আম্ফান পরবর্তী দুর্যোগ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীর বিভাগের নেতৃত্বে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী সার্বিক ত্রাণ, উদ্ধার ও চিকিত্সা সহায়তা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের দিক নির্দেশনায় আগে থেকেই সেনাবাহিনী ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী উদ্ধার কার্যক্রম, ত্রাণ তত্পরতা ও চিকিত্সাসেবা প্রদানের জন্য যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। বর্তমানে তারা দুর্গত এলাকায় অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে যৌথভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করছে। ইতিমধ্যে দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য সেনাবাহিনীর ১৪৬টি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দল স্বল্প সময়ে মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

দুর্যোগ উপদ্রুত এলাকাসমূহে প্রয়োজনীয় চিকিত্সা সহায়তা প্রদানের নিমিত্তে সেনাবাহিনীর ৭৬টি মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় কবলিত স্থানসমূহে খাদ্যসহায়তা হিসেবে সেনাবাহিনীর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ১২ হাজার ৫০০ প্যাকেট ত্রাণসামগ্রী প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের নিমিত্তে ১৬টি ওয়াটার পিউরিফিকেশন প্ল­্যান্ট ও ১৪টি ওয়াটার বাউজার প্রস্তুত রয়েছে।

একই সঙ্গে করোনা মোকাবিলায় নিয়োজিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১ হাজার ২৭টি যানবাহনের সমন্বয়ে মোট ৫৩১টি টহল ৬২টি জেলায় অসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় প্রেরণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ নৌবাহিনী উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলা ভোলা ও হাতিয়ায় দুর্গত এলাকায় ত্রাণসহায়তা প্রদানের জন্য নৌবাহিনীর দুইটি জাহাজ চট্টগ্রাম নৌ জেটি ত্যাগ করেছে। অন্যদিকে খুলনা নৌ অঞ্চল হতে সাতক্ষীরার গাবুরা ইউনিয়নে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজে সহায়তা জন্য ২২ সদস্যের একটি নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট এবং উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য সাত সদস্যের একটি ডাইভিং টিম সাতক্ষীরার উদ্দেশ্যে গমন করেছে।

এছাড়াও ১১৯ জন বিমান বাহিনীর সদস্যের একটি টিম আম্ফান পরবর্তী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে বিমান বাহিনীর নিজস্ব পরিবহনে সাতক্ষীরায় গমন করেন। —আইএসপিআর।