সোহেল সারোয়ার চঞ্চল
করোনা ভাইরাসের কারণে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) তাদের খেলাগুলো নিয়ে উদ্বিগ্ন। জার্মানিতে এরই মধ্যে মাঠে গড়িয়েছে ফুটবল। স্পানিশ লিগও চালু হতে যাচ্ছে। অনেক দেশের লিগ বন্ধ কিংবা বাতিল হয়ে গেলেও এএফসি তাদের খেলাগুলো বাতিল করেনি। আবার খেলাগুলোর ভাগ্যও নির্ধারণ হয়নি। বসুন্ধরা কিংস এএফসি কাপ ফুটবলে খেলবে। কিন্তু তারা বিদেশি ফুটবলার ছাড়বে নাকি রাখবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।
এ নিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং বসুন্ধরা কিংস এএফসির সঙ্গে কথা বলেছে। আপাতত এএফসি জানিয়েছে আগামী ৫ জুন দেশগুলোর সঙ্গে কথা বলবে। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ জানিয়েছেন, দক্ষিণ এশিয়ার যেসব দেশ এএফসি কাপে খেলছে তাদের সঙ্গে কথা বলবে এএফসি। তিনি বলেন,‘প্রত্যেক দেশের ফুটবল ফেডারেশন হতে একজন এবং ক্লাব দলের প্রতিনিধি একজন থাকবেন আলোচনায়। দুইজন করে তারা এএফসি কাপ ফুটবলের বিষয়ে কথা বলবেন।’
এএফসি ক্লাবগুলোকে নিয়ে এক টেবিলে বসবে। কার কী অবস্থা পর্যবেক্ষণ করবে। এক দেশের ক্লাব আরেক দেশে খেলতে যাবে। কোথায় কী অবস্থা, ফুটবলের পরিবেশ আছে কিনা। সব দেশে এখনো আকাশ পথে চলাচলের সবুজ সংকেত নেই। সবকিছু মিলিয়ে পরিস্থিতি যদি ভালোর দিকে থাকে তাহলে এএফসি কাপের খেলা কীভাবে শুরু করা যায় তা নিয়ে একটা ইতিবাচক পথে হাঁটতে পারে। খুব সহসাই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবে এএফসি, তাও না। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত অন্ধকার পরিস্থিতি থেকে এশিয়ার ফুটবল দুনিয়াকে বের করে আনার পথ খুঁজতে চায় এএফসি। সেই শুরুটাই করতে যাচ্ছে এএফসি।
বাংলাদেশ হতে আবাহনী এবং লিগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস এএফসি কাপে খেলার সুযোগ পেয়েছিল। এর মধ্যে টিকে রয়েছে বসুন্ধরা কিংস। ১১ মার্চ ঢাকায় মালদ্বীপের টিসি স্পোর্টস ক্লাবের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে বড়ো জয় তুলে নেয়া বসুন্ধরা অপেক্ষায় এএফসি কাপ নিয়ে। কিন্তু করোনার কারণে লন্ডভন্ড দুনিয়া। তারপরও নতুন স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছে এএফসি ও ফিফা ।
