পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড রাজশাহী শাখার ব্যবস্থাপক কোনও উপসর্গ ছাড়াই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় তিনিসহ চারজনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। অপর তিনজনের দুইজনের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে এবং একজনের বাড়ি রাজশাহীর বাঘায়।
ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সাবেরা গুলনাহার এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার রামেক ল্যাবে দুই শিফটে ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষায় ১৭১টি নমুনার রিপোর্ট হয়েছে। এতে চারজনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। ১৭টি নমুনার কোন ফলাফল আসেনি।
অন্যদিকে রাজশাহী জেলা রিজার্ভ পুলিশের নারী এক কনস্টেবলের পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। বৃহস্পতিবার রামেক হাসপাতালের বহির্বিভাগের ল্যাবে তিনিসহ তিনজনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। অপর দুইজনের একজনের বাড়ি নাটোরের বড়াইগ্রামে এবং আরেকজনের বাড়ি পাবনার সুজানগরে।
রামেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস বলেন, পপুলারের ব্যবস্থাপক অনেক চিকিৎসকের সংস্পর্শে এসেছেন। এটা চিন্তার বিষয়। প্রশাসন পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লকডাউন করবে। এদিন রামেক হাসপাতাল ল্যাবে বৃহস্পতিবার ৯৪ নমুনা পরীক্ষায় ৮৪টির ফলাফল এসেছে। ১০টির রিপোর্ট আসেনি।
এদিকে জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম বলেন, আক্রান্ত নারী কনস্টেবল রাজশাহী রিজার্ভ ফোর্সের কনস্টেবল। গত ২২ মে তিনি ডিএমপি থেকে রাজশাহী জেলা রিজার্ভ ফোর্সে যোগদান করেন। কোয়ারেন্টিনে থাকাবস্থায় বুধবার তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার পরীক্ষার পর তার করোনা পজিটিভ এসেছে।
রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. এনামুল হক জানান, রাজশাহীতে করোনায় মারা গেছেন দুইজন। একজনের বাড়ি বাঘায়। আরেকজনের পাবনায় ও নওগাঁয় কর্মরত হলেও বসবাস করেন রাজশাহীতে। স্থানীয় মিশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। জেলার চারঘাট ও গোদাগাড়ী উপজেলা এখনো করোনামুক্ত বলে জানান সিভিল সার্জন।
ইত্তেফাক/এমআরএম
