চীনের হংকং নিরাপত্তা আইনের নিন্দায় যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র দেশগুলো

আপডেট : ৩০ মে ২০২০, ০০:৩৩

হংকংয়ে চীনের জাতীয় নিরাপত্তা আইন চালুর কঠোর নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্র দেশগুলো। বৃহস্পতিবার চীনের পার্লামেন্টে এ সংক্রান্ত একটি বিল পাশ হওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া। যুক্তরাজ্য হংকংয়ে ব্রিটিশ পাসপোর্টধারীদের পূর্ণ নাগরিকত্ব দেওয়ার কথাও বিবেচনা করছে। চীন এসব সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে। খবর বিবিসি ও আলজাজিরার

যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলো এক বিবৃতিতে বলেছে, বেইজিং সরাসরি আইনটি চাপিয়ে দিলে হংকংয়ের মানুষের স্বাধীনতা সীমিত হয়ে পড়বে, স্বায়ত্তশাসন থাকবে না এবং এক দেশ, দুই ব্যবস্থার নীতিও ক্ষুণ্ন হবে। বারবার বিক্ষোভ-সংঘর্ষ উত্তাল হয়ে ওঠা হংকংয়ে নতুন এ আইন বিভেদও বাড়াতে পারে বলে বিবৃতিতে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে দেশগুলো। করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে হংকংয়ে নতুন আইন চাপিয়ে দেওয়ার পদক্ষেপ নিয়ে চীন বিভিন্ন দেশের সরকারের আস্থা ক্ষুণ্ন করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ব্যাহত করার ঝুঁকি নিচ্ছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলেছে, চীনের সিদ্ধান্ত উদ্বেগের। নিষেধাজ্ঞা দিয়ে এর সমাধান হবে না। উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্থানীয় সময় শুক্রবারই চীনের বিরুদ্ধে শাস্তির ঘোষণা দেওয়ার কথা। জানা গেছে, চীনা কর্মকর্তাদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞাসহ চীনা শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে।

এদিকে হংকংয়ের ব্রিটিশ পাসপোর্টধারীদের পূর্ণ নাগরিকত্ব লাভের সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবছে যুক্তরাজ্য। চীন যদি ভূখণ্ডটির ওপর প্রস্তাবিত জাতীয় নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন বাতিল না করে তাহলে সেখানকার ‘ব্রিটিশ ন্যাশনাল (ওভারসিস)’ বা বিএনও পাসপোর্টধারীদের এ সুযোগ দেওয়া হবে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাব গতকাল এক ঘোষণায় এই তথ্য জানিয়েছেন। হংকংয়ে বিএনও পাসপোর্টধারীর সংখ্যা ৩ লাখ।