আক্রান্তে বিশ্বে ৯ নম্বরে ভারত

আপডেট : ৩০ মে ২০২০, ০০:২২

নোভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের তালিকায় ৯ নম্বরে উঠে এলো ভারত। দেশটি মৃত্যুর সংখ্যায়ও চীনকে ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, করোনা ভাইরাস মহামারি এখনো শেষ হয়নি। সুপ্ত অবস্থায় আছে। আর রাশিয়ায় এক দিনে মৃত্যু দ্বিগুণ বেড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় সংক্রমণ বাড়ায় স্কুল আবার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ভারতে সংক্রমণের গতি দ্রুত বাড়ছে

সংক্রমণ বৃদ্ধির হারে ফের রেকর্ড করেছে ভারত। এক দিনে আক্রান্ত ৭ হাজার ৪৬৬ জন। কোভিডে মোট আক্রান্তের নিরিখে চীন ও ইরানকে টপকে গিয়েছিল আগেই। গতকালের বৃদ্ধির জেরে তুরস্ককে পিছনে ফেলে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, রাশিয়া, ব্রিটেন, স্পেন, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানির পরই রয়েছে ভারত। দেশটিতে মোট আক্রান্ত ১ লাখ ৬৫ হাজার ৭৯৯ জন। ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৭৫ জনের। এ নিয়ে কোভিডে মোট মৃত্যু হলো ৪ হাজার ৭০৬ জনের। মৃত্যুর সংখ্যায় চীনকে (৪ হাজার ৬৩৮) টপকে গেল ভারত। পশ্চিমবঙ্গের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে। এর মাধ্যমে এই প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর মমতা ব্যানার্জির মন্ত্রিসভার কারো করোনা শনাক্ত হলো। করোনার মধ্যেই গতকাল রোহতকের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠে দিল্লিসহ উত্তর ভারতের কিছু অংশ। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৬।

যুক্তরাষ্ট্রে জুনের মধ্যেই মৃত্যু ১ লাখ ২৩ হাজার!

মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিডিসি জানিয়েছে, ২০ জুনের মধ্যে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ২৩ হাজার ছাড়াবে। দেশটিতে ৪ কোটি মানুষ বেকার ভাতার আবেদন করেছে। বিশ্ব জুড়ে গতকাল পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫৯ লাখ ৭১ হাজারের বেশি এবং প্রাণ গেছে ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৩০১ জনের।

অন্যান্য দেশের পরিস্থিতি

রাশিয়ায় এক দিনে ২৩২ জনের মৃত্যু হওয়ায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩৭৪ জনে। এই মৃত্যু আগের চেয়ে দ্বিগুণ। চীনে নতুন করে কেউ আক্রান্ত হয়নি। দক্ষিণ কোরিয়ায় সংক্রমণ বাড়ায় দুই শতাধিক স্কুল আবার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানে এক দিনে সর্বোচ্চ ৭৬ জনের প্রাণ গেছে। সিন্ধু প্রদেশে ১০ বছরের কম বয়সি ৯৩০ শিশু আক্রান্ত হয়েছে। এরপরও দেশটি বিমানের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শুরু করবে বলে জানিয়েছে। দেশটি বাংলাদেশের একটি কোম্পানি থেকে অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ রেমডিসিভির আমদানি করবে বলে জানিয়েছে।

গতকাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোভিড-১৯ বিষয়ক বিশেষ দূত ড. ডেভিড নাবারো বলেছেন, বিধিনিষেধ শিথিল করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও সতর্ক থাকতে হবে যে, ভাইরাসটি নতুন করে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।