গতকাল ৩০ মে ২০২০ থেকে শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের বিশেষ ইভেন্ট ‘নাসা স্পেস অ্যাপস কোভিড-১৯ চ্যালেঞ্জ’ এর ভার্চুয়াল হ্যাকাথন। ৪৮ ঘণ্টাব্যাপী এই হ্যাকাথনে বরাবরের মতো এবারও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস স্টুডেন্টস ফোরামের উদ্যোগে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। নাসা বিশ্বব্যাপী প্রোগ্রামার, উদ্যোক্তা, বিজ্ঞানী, ডিজাইনার, স্টোরিটেলার, মেকার, বিল্ডারস, প্রযুক্তিবিদসহ সবাইকে #স্পেসঅ্যাপস কোভিড-১৯ চ্যালেঞ্জ ভার্চুয়াল গ্লোবাল হ্যাকাথনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানায়। তারই ধারাবাহিকতায় বেসিসের পক্ষ থেকে এই আয়োজনে অংশ নেয়ার জন্য বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানানো হয়। আগ্রহীরা ইতিমধ্যেই covid19.spaceappschallenge.org ওয়েবসাইটে গিয়ে ভার্চুয়াল টিম গঠন করছে এবং নাসার ওপেনসোর্স আর্থ অবজারভেশন ডাটার মাধ্যমে কোভিড-১৯ সমপর্কিত চ্যালেঞ্জ সমাধানের উপায় উদ্ভাবনের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে বেসিসের সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, সারা পৃথিবীতে এখন করোনার দুর্যোগ চলছে। এই দুর্যোগ মোকাবেলায় কী কী পন্থা ও কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে, এই সময় যে বৈশ্বিক ব্যবসায়িক মন্দা চলছে সেটি কাটিয়ে উঠার জন্য কী করতে হবে এবং দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে আমাদের করণীয় কী সেসব বিষয় নিয়ে গত ৩০ মে ও আজ নাসা স্পেস অ্যাপস কোভিড-১৯ চ্যালেঞ্জ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশের সকল শিক্ষার্থীদের তাদের আইডিয়া ও উদ্ভাবনগুলো এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সবাইকে আহবান জানাই। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থীরা তাদের নতুন নতুন কৌশল ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে আমরা কতোটা এগিয়ে আছি, সেটি সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দিতে পারবে।
গত ৩০ ও আজ নাসা, ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (ইএসএ) এবং জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি (জেএএক্সএ) এই ভার্চুয়াল হ্যাকাথনের আয়োজন করবে। ৪৮ ঘন্টার বিরতিহীন এই আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অংশগ্রহণকারীরা তার উদ্ভাবনকে উপস্থাপন করবে। এবারের চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে কোভিড-১৯ ও এর বিস্তারে আর্থ সিস্টেমে কী প্রভাব পড়ে সেটি খুঁজে বের করা ও সমাধানের উপায় উদ্ভাবন করা। এছাড়া হ্যাকাথনে এই ভাইরাসের ফলে মানুষ ও অর্থনীতির উপর কী প্রভাব পড়ছে সেটিও পরীক্ষা করা হবে।
