দেশে করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুরসংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এরই মধ্যে আজ রবিবার থেকে সারাদেশে বাস, ট্রেন ও নৌপথ ছাড়াও অফিস আদালত খুলে দিয়েছে সরকার। এতে মানুষের চলাচল বাড়তে শুরু করবে। যা নিয়ন্ত্রণ পুলিশের জন্য অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করে পুলিশ সদর দপ্তর। গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো ভিডিও বার্তায় এ কথা জানানো হয়।
ভিডিও বার্তায় করোনা পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতার পাশাপাশি গণপরিবহন ও সাধারণ মানুষের চলাচলে সরকারের যে স্বাস্থ্যবিধি রয়েছে তা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। পুলিশের ক্রাইম ও ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট নতুন করে সাজানো হচ্ছে বলেও জানায় পুলিশ সদর দপ্তর।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৭৬৪ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। আর মারা গেছেন ২৮ জন। তাছাড়া করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠ পর্যায়ের প্রথম সারিতে থাকা পুলিশেও আক্রান্ত বাড়ছে। প্রায় সাড়ে ৪ হাজার পুলিশ সদস্য করোনা আক্রান্ত হয়েছে। আর মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জুন মাসে দেশে করোনার সংক্রমণ আরো বেড়ে যাবে। এর মধ্যেই সরকার গণপরিবহনসহ সব কিছু সীমিত পরিসরে খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিল। বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস আদালত খোলা রাখতে বলা হয়েছে।
ভিডিও বার্তায় পুলিশ সদর দপ্তর বলেছে, করোনাকালে পুলিশের ক্রাইম ও ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট কিছুটা ভিন্ন ছিল। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় করোনার সঙ্গে আমাদের আরো কিছু দিন অবস্থান করতে হতে পারে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার গণপরিবহন সীমিত আকারে চালু এবং ছুটির মেয়াদ বাড়ায়নি। এতে জনগণের চলাচল বেড়ে যাবে এবং গণপরিবহনে মানুষের চলাচল বেড়ে যাবে। এজন্য পুলিশের ক্রাইম ও ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট নতুন করে সাজানো হচ্ছে। সেই সঙ্গে করোনা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ যে কাজ করছিল তা চলমান থাকবে। মানুষের চলাচল বেড়ে যাবে যা পুলিশের জন্য অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে। তারপরও পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা দরকার।
