হংকংকে দেওয়া বিশেষ সুবিধা বাতিল করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ঘোষণা দিয়েছেন। চীন কর্তৃক হংকংকে জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আওতায় আনার উদ্যোগের প্রতিবাদে এই পদক্ষেপ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এটাকে চীনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নজিরবিহীন প্রতিশোধ হিসেবে উল্লেখ করেছে মার্কিন মিডিয়া সিএনএন। তবে হংকং বলছে, এ জন্য ওয়াশিংটনকেও ভুগতে হবে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে চীনা শিক্ষার্থীদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার হোয়াইট হাউজের রোজ গার্ডেনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চীনকে বাক্যবানে জর্জরিত করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে ছিন্ন করে ফেলেছে চীন যা আগে কেউ কখনো করেনি। মার্কিন শিল্পকেও বেইজিং ছিন্নভিন্ন করেছে উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চীনের জাতীয় নিরাপত্তা আইনের কঠোর সমালোচনা করেন। এর মাধ্যমে ঐ শহরের দীর্ঘদিনের মর্যাদা খর্ব হতে বসেছে জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, এটা হংকংয়ের নাগরিকদের জন্য যেমন দুঃখের, তেমনই চীন এবং বিশ্ববাসীর জন্যও। আমেরিকা হংকংকে যে পৃথক ও বিশেষ মর্যাদা দিয়েছিল চীনকে চাপে রাখতে তা কাটছাঁট করার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, প্রত্যর্পণ চুক্তি, প্রযুক্তি সহায়তা, রপ্তানি ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রে হংকংকে যেসব সুবিধা দেওয়া হতো তা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। তবে এতে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে বলেও তিনি জানান। হংকংয়ের কিছু কর্মকর্তার ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে।
ওয়াশিংটনকেই ভুগতে হবে : হংকং
নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী জন লি বলেছেন, হংকং হুমকিতে ভয় পায় না এবং হুমকিতে কাজও হবে না। কারণ হংকং যা করছে তা সঠিক। নতুন আইন অনুযায়ীই চলবে। বিচারমন্ত্রী তেরেসা চেং বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সম্পূর্ণ ভুল করেছে। জাতীয় নিরাপত্তা প্রয়োজন। এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, এজন্য ওয়াশিংটনকেই ভুগতে হবে।
