করোনাকালে অফিস করা...

আপডেট : ০১ জুন ২০২০, ১৯:৫৮

l মায়িশা আতিয়া

 

সাধারণ ছুটির পর অনেকেই ৩১ মে থেকে অফিস করছেন। তাদের জানা দরকার করোনাকে সঙ্গে নিয়ে বাঁচার উপায়। এই যে অনেকেই গরমের মধ্যে ঘণ্টায় ঘণ্টায় গরম পানি খাচ্ছেন, চা খাচ্ছেন, কী এর কারণ? ভাইরাস মরবে? ভাইরাসকে মারতে গেলে পানির তাপমাত্রা যা হতে হবে, তাতে তো মানুষই মরে যাবে! অবশ্য চলতি সময়ে গায়ে হালকা রোদ লাগানো খুবই দরকার। সকালের দিকে একটু মর্নিং ওয়াকে গেলে ব্যায়ামও হবে, রোদও লাগবে গায়ে। সেইসঙ্গে ঠিকঠাক কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে—

১. রোগ ঠেকানোর ৮০ শতাংশ চাবিকাঠি আছে হাত ধোয়ার মধ্যে। আপনি যদি এমন জায়গায় হাত দেন যেখানে জীবাণু থাকার আশঙ্কা আছে, যেমন গণপরিবহনে উঠলে, ভিড় কাটিয়ে বের হলে, লিফটের বোতাম-দরজার হাতল বা সিঁড়ির রেলিং ধরলে সেই হাত নাকে-মুখে-চোখে বা অন্য কোথাও লাগার আগেই ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে।

২. রাস্তায় বের হলে মাস্ক বাধ্যতামূলক। অফিসেও পরে থাকবেন। কাপড়ের ট্রিপল লেয়ার মাস্ক সবচেয়ে ভালো। নাকের উপর থেকে চিবুকের নীচ ও কান পর্যন্ত গালের পুরোটাই ঢেকে রাখা ভালো।

৩. বাইরে বের হওয়ার সময় সঙ্গে ছোট একটা সাবান ও ৭০ শতাংশ অ্যালকোহল আছে এমন স্যানিটাইজার নিন। কিছু টিস্যু পেপার বা পরিস্কার রুমাল রাখুন। সুযোগ থাকলে সাবান পানিতে হাত ধুয়ে নিন। না হলে স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।

৪. করোনায় আক্রান্ত না হলে গ্লাভস পরার দরকার নেই। নিয়ম মেনে না পরলে উল্টে বিপদের আশঙ্কা বেশি।

৫. চোখে চশমা থাকলে আর কোনো সাবধানতা লাগবে না। না থাকলে রোদচশমা পরে বের হোন। কারণ চোখ দিয়েও কিন্তু জীবাণু প্রবেশ করতে পারে।

৬. মাস্ক না পরে আপনার ৫ ফুটের মধ্যে কাউকে আসতে দিবেন না। বাড়ি ফিরে সাবান জলে মাস্ক ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে।

৭. বড় চুল হলে চুল ভালো করে বেঁধে স্কার্ফ বা ওড়নায় মাথা ঢেকে নেবেন। কারণ বাসে-ট্রেনে খোলা চুল অন্যের নাকে-মুখে উড়ে লাগতে পারে। তাদের রোগ আছে কি-না তা তো জানেন না। সেই চুল আপনার নাকে-মুখে লাগলে বিপদ হতে পারে।

৮. নিয়মিত ধোয়া যায়—এমন চটি বা জুতো পায়ে বের হবেন।

৯. অফিসে নিজস্ব কাপ রেখে দেবেন। সাবান-জলে ধুয়ে সেই কাপে চা বা কফি খাবেন।

১০. বাস, ট্রেন ও রিকশায় ওঠা-নামার সময় অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন।