কমল কান্ত রায়, গঙ্গাচড়া (রংপুর) সংবাদদাতা
রাজবল্লভ গ্রামের কৃষক আবুল হোসেন এ বছর ৫০ শতক জমিতে বাদাম চাষ করেছেন। খরচ হয়েছে ৩০ হাজার টাকা; কিন্তু অবিরাম বৃষ্টির কারণে বাদামখেত তলিয়ে যাওয়ার কারণে এবার ১০ হাজার টাকাও খরচ উঠবে না। আবুল হোসেনের মতো অনেক কৃষক বাদামে লোকসান গুনবেন। এ অবস্থায় গঙ্গাচড়ায় বাদামচাষিদের মাথায় হাত পড়েছে। পানি নিষ্কাশনের সুষ্ঠু ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতার কারণে পানিতে ডুবে আছে বাদামখেত। এতে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। কৃষকরা জানান, সম্প্রতি কয়েক দফা বৃষ্টিতে উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের বুড়িডাঙ্গী, গজগন্টা ইউনিয়নের রাজবল্লভ ও ছালাপাক এলাকার কমপক্ষে ৫০ একর জমির বাদামখেত পানিতে তলিয়ে গেছে। গত ৫/৭ দিন ধরে পানিতে তলিয়ে আছে। পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় বাদাম পচে যাচ্ছে। তাছাড়া বাদাম এখনো পরিপক্ব হয়নি। বাদাম তোলার সময় হয়নি। কৃষকরা আরো জানান, তামাক কিংবা আলু তোলার পর এসব জমিতে বাদাম চাষ করেছে তারা। কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজবল্লভ এলাকার কৃষক নজু মিয়া দুই একর, রফিকুল দুই একর, মশিয়র এক একর, জিল্লুর ২২ শতক, আবুল হোসেন ৫০ শতকসহ অনেকে বাদাম চাষ করেছেন। কৃষকরা জানান, বাদাম তোলার সময় হয়নি। ৫/৭ দিন থেকে বাদামখেত পানিতে তলিয়ে আছে। অনেকে জানান, উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়—এবছর ২১৫ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ হয়েছে।
