প্রণোদনার দাবি
মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা
প্রবল বৃষ্টি ও অসময়ের জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে শতশত হেক্টর কাঁচা আধাপাকা বোরো ধানখেত। ধান ঘরে তুলতে না পেরে চরম বিপাকে ও সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন দরিদ্র কৃষকরা। মহামারি করোনা সংক্রমণের থাবা, অপর দিকে প্রবল বৃষ্টি ও অসময়ের জোয়ারের পানিতে বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা এখন সর্বস্বান্ত। এনজিও, ব্যাংক ও মহাজনদের ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে বিভিন্নভাবে প্রণোদনা দেওয়া হবে বলে জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, মির্জাপুর পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়নের চলতি মৌসুমে বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০ হাজার ৫০০ হেক্টর। উত্পাদন হয়েছে ২০ হাজার ৮১৫ হেক্টর।
ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রউফ বলেন, তার ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি জমিতে পাকা ও আধাপাকা বোরো ধান বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে ডুবে গেছে। বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকের স্বপ্ন ভেঙে গেছে। বংশাই ও লৌহজং নদীতে জোয়ারের পানি বেড়েই চলেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল মালেক মোস্তাকিমসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গরা। মির্জাপুরে এ বছর বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কয়েকটি এলাকায় নিচু জমির ধান বৃষ্টি ও অসময়ের জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে। যে সব এলাকায় বোরো ধানখেত বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে ঐ সব এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা করা হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানান।
