ডিএসইতে ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন

আপডেট : ০৪ জুন ২০২০, ২২:২৯

টানা ৬৬ দিন বন্ধ থাকার পর গত রবিবার থেকে শেয়ারবাজারে লেনদেন চালু হয়েছে। চালু হওয়ার দিন শেয়ারবাজারের সূচক বাড়লেও পরের দিন থেকে কমা শুরু হয়েছে। এ নিয়ে টানা চার কার্যদিবস পতনের মধ্যে থাকল শেয়ারবাজার। এদিকে গত ১৩ বছরের মধ্যে ডিএসইতে (ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ) সর্বনিম্ন লেনদেনের রেকর্ড হয়েছে গতকাল। সেই সঙ্গে পতন হয়েছে সবকটি মূল্য সূচকের।

গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইর পাশাপাশি অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সবকটি সূচকের পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে মাত্র ৪২ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। ২০০৭ সালের ২৪ এপ্রিলের পর এত কম লেনদেন হয়নি। ২০০৭ সালের ২৪ এপ্রিল লেনদেন হয় ৪০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।

খরার বাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে কিন্তু কমেছে তার থেকে বেশি। ফলে সূচকের পতন হয়েছে।

এদিন লেনদেনের প্রথম দিকেই শেয়ারবাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দেয়, যা অব্যাহত থাকে লেনদেনের শেষ পর্যন্ত। ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১০ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৯৫৩ পয়েন্টে নেমে গেছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক ৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৩২১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই শরিয়াহ্ ৩ পয়েন্ট কমে ৯১৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া মাত্র ১১টি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। দাম কমেছে ৩৬টির। আর ২৬২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। টাকার অঙ্কে বাজারটিতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার। দ্বিতীয় স্থানে ছিল গ্রামীণফোন। এর পরের স্থানে রয়েছে সেন্ট্রাল ফার্মাসিটিক্যাল।

এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে—লিন্ডা বিডি, স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যাল, ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিটিক্যাল, বেক্সিমকো, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল, একমি ল্যাবরেটরিজ এবং রেকিট বেনকিজার।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ৬ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে ৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ১০৩ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৯টির, কমেছে ১৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭৫টির।