ডা. এমআর খান প্রতিষ্ঠিত ডেন্টাল সার্জন গড়ার প্রত্যয়ে

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০১৯, ১৯:২৩

 

 

বিশ্বায়নের এ যুগে কর্মমুখী শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। আর কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারে দক্ষ দন্ত চিকিত্সকরা গুরুপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মার্কস মেডিকেল কলেজ (এমআরএমসি) ডেন্টাল ইউনিট দক্ষ ডেন্টাল সার্জন তৈরির দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে আগের মতো এ বছর ৫ বছর মেয়াদি বিডিএস কোর্সে ১২তম ব্যাচে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে যাচ্ছে। এ বছর ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষায় যারা কৃতকার্য হয়েছে তারাই ৫ বছর মেয়াদি বিডিএস কোর্সে ভর্তি হতে পারবে। ২০০৭-০৮ সেশনে প্রথম ব্যাচের ভর্তির মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু। ঢাকার মিরপুর-১৪তে এ/৩ প্রধান সড়কে অবস্থিত এ প্রতিষ্ঠানটি শুরুতে মার্কস ডেন্টাল কলেজ নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে দেশের সফল চিকিত্সক ও শিক্ষানুরাগী প্রয়াত ব্রি. জে. (অব.) অধ্যাপক ডা. মাসুদুর রহমান (এমআর) খান এ কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন দক্ষ ডেন্টাল সার্জন গড়ার লক্ষ্য নিয়ে।

বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মে. জে. (অব.) অধ্যাপক ডা. মো. নাসির উদ্দিন। এমআরএমসি-ডেন্টাল ইউনিটের দায়িত্ব রয়েছেন সহযোগী অধ্যাপক ডা. খন্দকার আলতাফ হোসেন, যিনি প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংযুক্ত ছিলেন। উপাধ্যক্ষ হিসেবে বর্তমানে দায়িত্বে আছেন অধ্যাপক ডা. ইকবাল মাসুদ খান এবং সার্বিক দেখভাল ও প্রশাসনিক বিষয়ে দেখাশোনা করেন দি মার্কস গ্রুপের নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারিক মাসুদ খান।

এ কলেজের পাঠদান পরিচালনা করেন একদল অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষকমন্ডলী, যার নেতত্বে রয়েছেন মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. মো. নাসির উদ্দিন। শিক্ষকমন্ডলীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক এবং প্রভাষকরা রয়েছেন, যারা ছাত্র-শিক্ষকের সুসম্পর্ক বজায় রেখে পাঠদান করেন। তারা সবাই দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষার্থীদের আবাসিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে ছাত্রছাত্রীদের জন্য পৃথক হোস্টেলের ব্যবস্থা রয়েছে মার্কস ডেন্টাল ইউনিটের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে। জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা তাদের দেখভাল করে থাকেন। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ডা. মো. নাসির উদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন, আমরা ছাত্র-শিক্ষকের সম্পর্কের প্রতি যত্মবান। শিক্ষার্থীদের  যে কোনো সমস্যা সম্পর্কে আমরা সচেতন। তারা প্রয়োজন অনুযায়ী আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। আমরা তাদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করি। ইউনিট প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. খন্দকার আলতাফ হোসেন বলেন, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দক্ষ শিক্ষকমন্ডলী নিয়ে আমরা ইতিমধ্যে দশম ব্যাচের কার্যত্রক্রম শেষ করে এ বছর ১২তম ব্যাচে ভর্তি করাব। তিনি আরও বলেন, নিজস্ব ক্যাম্পাসে থাকায় এখানকার শিক্ষার্থীরা সব ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা পাচ্ছে। ৫ বছর মেয়াদি বিডিএস কোর্স চালু করায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তারিক মাসুদ খান বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য করণীয় ঠিক করছি। তাদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার কথা বিবেচনা করে আমরা প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি ভাষা শিক্ষা কোর্স, ৫ শতাংশ ফ্রি কোটা ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও উপজাতীয় কোটাসহ সব কোটা অনুসরণ করে থাকি। তিনি আরও বলেন, এ বছর থেকে আমরা বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করব এবং তাদের জন্য বাড়তি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।