ইন্টারনেটের জনক ড. লেরি রবার্টস ৮১ বছর বয়সে মারা গেছেন

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০১৯, ২০:০৯

ইন্টারনেটের জনক ও ডিজাইনার মার্কিন বিজ্ঞানী লেরি রবার্টস আর নেই। মৃত্যকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। তিনি ১৯৬০ সালের শেষের দিকে ইউএস অ্যাডভান্সড রিসোর্স প্রোজেক্টস এজেন্সি (আরপা) কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরির একটি অংশের দায়িত্বে ছিলেন। এই প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল আরপানেট। সিস্টেম চালু করার উদ্দেশ্যে হার্ডওয়ার ও সফটওয়্যার পরীক্ষার জন্য তিনি প্রকৌশলী নিয়োগ গিয়েছিলন। আরপানেট টেকনোলজিস যে ইন্টারনেট পদ্ধতিটি চালু করেছে তা আজও চলমান রয়েছে। বিশ্বব্যাপী তিনি লেরি রবার্ট নামেই পরিচিত।

   ডাটা ডিজাইন :প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই ড. রবার্ডস লেরিকে ইন্টারনেটের চারজন জনকের মধ্যে একজন  ধরা হয়। বাকি তিনজন হলেন বব কান, ভিন্ট সার্ফ এবং লেন ক্লেইনর। রসায়নবিদের দুই সন্তানের মধ্যে ড. রবার্ডস নিজেই ইলেকট্রনিক্সকে বেছে নিয়েছেন। কারণ এতে তিনি দেখতে পান, অনুশিলন করার যথেষ্ট ক্ষেত্র রয়েছে এবং এই খাতটি আগামীতে অনেক অগ্রসর হবে। নিউ ইয়র্ক টাইমস এর একটি সাক্ষাত্কারে কেটি হাফনারকে তিনি বলেন,‘আমি নতুন কিছু চাই। তবে ক্যামিস্ট্রির মতো পুরাতন কিছু নয়।’ ড. রবার্টস এর দুইটি উল্লেখযোগ্য ডিজাইনের মধ্যে  অরিজিনাল নেটওয়ার্ক ব্যবহারের পদ্ধতিটি অন্যতম। ড. রবার্টস তার ডিজাইনকৃত নেটওয়ার্ক বিস্তারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কেন্দ্র থেকে বিভিন্ন জায়গায় স্থানান্তরের পরিবর্তে ছোট ছোট আকারে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করেন।

সুইচিং সিস্টেমের প্যাকেট পরিচিতির জন্য কাজ করা হয়। এটির ডিজাইন করা হয় লন্ডনে ডোনাল্ড ডিভাইস ন্যাশনাল ফিজিক্যাল ল্যাবরেটরিতে। ১৯৬৯ সালে অরপানেটে প্রথম চার কম্পিউটারের সংযোগ প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কারণ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান এর সাথে যোগদান করেছিল।

ড. রবার্টস আরপানেটের কর্মীদের ইন্টারনেট ব্যবহারে উত্সাহী করেন এবং তাদের যোগাযোগের সুবিধার্থে এর ব্যবহারে আগ্রহী করেন। ১৯৮৩ সালে আরপানেট এর  প্রেসিডেন্ট ইন্টারনেট সেবাকে আরো বৃহদাকারের করার পরিকল্পনা করেন। কারণ, ততক্ষণে এটি নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে পরিনত হয়েছে। ডা. রবার্ট আরপানেট ছেড়ে আসার পর ক্যারিয়ার গঠনের নেটওয়ার্ক স্টার্ট-আপ এর একটি সিরিজ নিয়ে কাজ করেন। তার পরিবার জানিয়েছে, ২৬ ডিসেম্ব, ২০১৮ তারিখে ড. রবার্ট হার্ট অ্যাটাকে মারা যান ।                                                                                             সূত্র : বিবিসি