অনেকেই আশঙ্কা করছেন যে, যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া হলে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যু ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। জনসচেতনতার অভাবে দুইমাসের ছুটি এবং সবকিছু বন্ধ রেখেও আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারিনি। উন্নয়নশীল জনবহুল এই দেশে লকডাউন সফল করা খুব কঠিন কাজ। সবকিছু বিবেচনা করেই সীমিত আকারে জীবন-জীবিকার পথ খুলে দিতে হয়েছে। এখন সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতার যথেষ্ট অভাবের কারণে পরিস্থিতির অবনতি যাতে না ঘটে, সে ব্যাপারে সকল পক্ষকেই সতর্ক হতে হবে। বর্তমানে করোনা প্রতিরোধের একমাত্র উপায় হলো বাইরে থাকা শত ভাগ মানুষের মাস্ক ব্যবহার এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক করা। বারবার বলা সত্ত্বেও হাট-বাজার ও রাস্তায় চলাচলকারী অনেকেই মাস্ক ব্যবহার করছেন না। জেনে-বুঝেই একশ্রেণির মানুষ মাস্ক ব্যবহারে চরম অবহেলা করছেন। আবার অনেকে নাক-মুখ না ঢেকেই মাস্ক ঝুলিয়ে রাখেন, যার কোনো কার্যকারিতা নেই। এই মাস্ক বিহীন মানুষগুলো শুধু নিজেদের জন্যই নয়, অন্যদের জন্যও বিপজ্জনক। সারা দেশে অন্তত পনেরো দিন এদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা উচিত। জনগণকে মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বাধ্য করা গেলে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। আমরা আশা করি, সরকার এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে।
বিপ্লব বিশ্বাস
গোয়ালচামট, ফরিদপুর
