স্থাপত্য

ছয় দফা চত্বর

আপডেট : ০৬ জুন ২০২০, ২২:১৯

মো. রেদোয়ান হোসেন

 

আমাদের জাতীয় জীবনে স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা চেতনা সবকিছুতে রয়েছে ঐতিহাসিক ‘ছয় দফা’ আন্দোলনের তাত্পর্যপূর্ণ ভূমিকা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ছয় দফা দাবি পেশ করেন। বাঙালির ম্যাগনাকার্টা খ্যাত ঐতিহাসিক ছয় দফার আলোকে টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ‘ছয়দফা চত্বর’ নামে দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।

ষড়ভুজাকৃতির এই স্থাপত্যের নকশা করেছেন স্থাপত্য অধিদপ্তরের সহকারী স্থপতি সিরাজী তারেকুল ইসলাম। তাঁর সঙ্গে টেরাকোটার আঁচড় লাগিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউটের প্রফেসর সৈয়দ সাইফুল কবীর রঞ্জু।

২০১৪ সালে নির্মিত ছয়দফা চত্বরটি ক্যাম্পাসের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। ভূমি থেকে আড়াই ফুট উঁচু এই স্থাপনা আয়তনে ১২০ ফুট বাই ১২০ ফুট। মাঝখানটা উন্মুক্ত এই স্থাপত্যকর্মটি ৩০টি স্তম্ভের ওপর দণ্ডায়মান। সমগ্র স্থাপনা জুড়ে অপরূপ টেরাকোটার নকশা করা। এর ছয় দিকে ছয়দফার ঐতিহাসিক দাবি ৬টি টেরাকোটায় নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এর অপরূপ নির্মাণশৈলীতে যে কেউ মুগ্ধ হবে। অবসরের প্রিয় মুহূর্তগুলো বর্ণিল ছটায় সাজাতে ছয়দফা একটি অসাধারণ স্থাপত্যকলা।