পরিবেশকে টেকসই রাখতে প্রাকৃতিক বাস্তুসংস্থান এবং জীববৈচিত্র্যকে গুরুত্ব দিয়ে শহর, গ্রাম, হাওর ও বনাঞ্চলের জন্য স্থায়ী পরিকল্পনা প্রয়োজন। একইসঙ্গে সমগ্র দেশের জন্য জাতীয় ভৌত পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের কৃষিজমি, সংরক্ষিত বনাঞ্চল সংরক্ষণের পাশাপাশি অর্থনৈতিক অঞ্চল ও শিল্প অঞ্চল সুনির্দিষ্ট করার মধ্য দিয়ে টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
গতকাল শনিবার বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি) আয়োজিত ‘পরিবেশ ও পরিকল্পনা’ শীর্ষক অনলাইন সংলাপে পরিকল্পনাবিদ ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেন। বিআইপির সাধারণ সম্পাদক ড. আদিল মুহাম্মদ খানের সঞ্চালনায় এটি অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, প্রকৃত অর্থে গণতন্ত্রের অনুপস্থিতি, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতার অভাব এবং জনমতের গুরুত্বকে প্রাধান্য না দেওয়ায় আমাদের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। সুন্দরবন রক্ষায় কয়লাভিত্তিক রামপাল প্রকল্প নিয়ে সরকারের নতুন করে ভাবনার প্রয়োজন রয়েছে।
বিআইপি সভাপতি পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক আকতার মাহমুদ বলেন, সারাদেশের জন্য জাতীয় ভৌত পরিকল্পনা জরুরি ভিত্তিতে প্রণয়ন করতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিকল্পনা শাখার উপ-পরিচালক হাসান হাসিবুর রহমান, ইউএস-এইডের পরিবেশসংক্রান্ত প্রকল্প ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ শাহাদাত হোসেন শাকিল ও অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্যের পরিবেশ ও পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র কর্মকর্তা এস কে এজাজও সংলাপে অংশ নেন।
