‘সব গল্প বলার জন্য তো তারকা কাস্টিংয়ের প্রয়োজন নেই’

আপডেট : ০৭ জুন ২০২০, ১৯:৫৮

নির্মাতা মাসুদ সেজান। অসংখ্য জনপ্রিয় নাটকের স্রষ্টা তিনি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি সম্প্রতি শুরু করেছেন তার ইউটিউব চ্যানেল ‘পার্বণ’-এর কাজ। এরমধ্যে ঈদে প্রচার করেছেন একটি সিরিজ। পাশাপাশি টেলিভিশনের অভিনয়ের জন্য শুরু করেছে কর্মাশালা। সার্বিক এই প্রসঙ্গ ও বৈশ্বিক অবস্থায় শুটিং প্রসঙ্গে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সঙ্গে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু

কেমন আছেন?

বৈশ্বিক এই সমস্যার মধ্যে তো ভালো থাকার সংজ্ঞাটা আগের মতো নেই। তবে এরমধ্যে সুস্থ আছি পরিবার নিয়ে।

 

টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের জন্য আপনি ‘পার্ফমেন্স আর্ট অ্যাকাডেমি’ শুরু করেছেন বেশ কয়েক মাস হলো। শুরুতে এই প্রসঙ্গে জানতে চাই—

অনেকদিন ধরে তো নাটক পরিচালনা করছি। কিছুটা অভিজ্ঞতা হলেও হয়েছে। আমি একটি বিষয় প্রায় দেখতাম। অভিনয়ের বেসিক ধারণা নেই এমন অনেকেই ক্যামেরা সামনে দাঁড়াতে চলে আসেন। আমাদের দেশে থিয়েটারে অভিনয়ের জন্য অনেক কর্মশালা হলেও টেলিভিশনের জন্য বিশেষ কোনো ব্যবস্থা নেই। সেই জায়গা থেকে এই উদ্যোগটি নেওয়া। এটা দায়বদ্ধতা থেকেও বলা যায়। কারণ যে জায়গা থেকে আমি এতকিছু পেলাম সেখানেও তো আমার কিছু দায়িত্ব রয়েছে। এই কর্মাশালাটি বেশ ভালোবেসে শুরু হয়েছে। এখন এই বৈশ্বিক মহামারির কারণে বন্ধ আছে। সবকিছু ঠিক হলে আবারও শুরু হবে।

 

আপনার এখন নিজস্ব একটি ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে। যেখানে এই ঈদে একটি সিরিজ প্রকাশ হয়েছে। চ্যানেল থেকে হঠাত্ ইউটিউবে, এখানে আপনার পরিকল্পনাটা কেমন?

্ইউটিউবে দেখলাম এখন অনেকে চ্যানেল খুলছে। এটি এমন একটি মাধ্যম যেখানে নিজের স্বাধীনতা দিয়ে কাজ করে সেটি বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের মানুষকে দেখানো সম্ভব। চ্যানেলের সঙ্গে আমি দীর্ঘদিন কাজ করেছি। তাদের একটি বিষয় সবসময় থাকে, সেটি হলো তারকা কাস্টিং। কিন্তু সব গল্প বলার জন্য তো তারকা কাস্টিংয়ের প্রয়োজন নেই। সেসব চিন্তা থেকে ‘পার্বণ’ শিরোনামে আমার ইউটিউব চ্যানেলটি খোলা। সেখানে এই ঈদে ‘আমার মেয়ে নায়িকা’ শিরোনামে একটি সিরিজ প্রচার হয়েছে। শিগগিরই ‘সাইকো’ শিরোনামে আরও একটি প্রডাকশন আসতে যাচ্ছে।

 

করোনার প্রভাব প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এমন অবস্থায় শুটিং শুরু করাটা আপনি কীভাবে দেখছেন?

এই দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়া কিন্তু কোনোকিছুই বন্ধ নেই। সেখানে শুটিং শুরুটা আমি দোষের কিছু দেখি না। তবে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুটিং করতে হবে। কারণ জীবন থেমে থাকে না। কাজ না করলে আমাদের বসে খাওয়ার মতো সামর্থ সবার নেই। এটি বাস্তবতা। ‘আমার জীবন, আমার সিদ্ধান্ত’ বিষয়টি এখন এই জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে। শুটিং শুরু হয়েছে ঠিক। কিন্তু পরিচালক বা অভিনয়শিল্পীরা সিদ্ধান্ত নেবেন তারা শুটিং করবেন কি-না। যেহেতু এরমধ্যে অনেক মানুষের জীবিকা নির্ভর করে, তাই শুটিং শুরু করার প্রয়োজনীয়তা ছিল।