বাংলাদেশি র্স্টাটআপদের জন্য সম্ভাবনাময় যুক্তরাজ্যের বাজার

আপডেট : ০৭ জুন ২০২০, ২১:০০

বরাররের মতো এই কোভিড-১৯ এর সময়েও রফতানি বাণিজ্য প্রসারের বাংলাদেশের এবং বিশেষ করে স্টার্টআপদের জন্য যুক্তরাজ্য  আকর্ষনীয় জানিয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্য হাই কমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম বলেন- বাংলাদেশের রফতানি বানিজ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তর দেশ হলো যুক্তরাজ্য । গত বছরে এই বাজার ছিল ৪.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত এই বাজারের পরিমান দাঁড়িয়েছে ২.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। অর্থাত্ এবছরের বাজারে কোভিড-১৯ প্রভাব না ফেললেও এখন যে অর্ডারগুলো আসার কথা ছিল সেগুলো না আসার কারণে আগামী দিনগুলোতে এর প্রভাব পড়বে। তাই  গার্মেন্টস শিল্প ছাড়াও  যুক্তরাজ্যে রফতানি করার মতো আরো কিছু সম্ভাবনাময় শিল্প যেমন ফার্মাসিটিক্যালস, পাট শিল্প, এবং তথ্যপ্রযুক্তি সেবাপণ্যের প্রতি মনোযোগী হতে হবে বলে জানান তিনি। সম্প্রতি অনলাইনে আয়োজিত ‘আন্তজাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ’ শীর্ষক এক ওয়েবনিয়ার আলোচনায় সন্মানিত অতিথি হিসাবে এসব কথা বলেন তিনি। বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, যুক্তরাজ্যর বাজার আমাদের জন্য বরাবরই আকর্ষণীয় বর্তমানেও তা অক্ষুন্ন রয়েছে। কিছু ঔষধ কোম্পানি ইতোমধ্যে যুক্তরাজ্যের বাজারে ভ্যাকসিন, পিপিই নিয়ে কাজ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আস্তে আস্তে এ বাজার আরো বড় হবে সাথে যুক্ত হবে তথ্যপ্রযুক্তি সেবা পণ্য। এ ব্যাপারে আমাদের দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের এবং স্টার্টআপদের উত্সায়িত করতে হবে।

বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথোরিটির সহায়তায় স্কুপার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই ওয়েবনিয়ারে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথোরিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম। আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রোহাল চার্টাট সার্টিফাইড একাউন্টসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রদিপ্তা প্যাটেল এবং হালিমা সেলিম, এল এস লিগ্যাল সলিসিটরস-এর প্রিন্সিপ্যাল সলিসিটর এবং ম্যানেজিং পার্টনার মিজ লিলিয়া স্কট,  ওযাটফোর্ড অ্যান্ড ওয়েস্ট হার্টস চেম্বার অব কর্মাসের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্রিশ লুফ এবং বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথোরিটির প্রকল্প পরিচালক এএনএম শফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বক্তারা যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ রফতানি সুযোগ সুবিধাসহ সম্ভাবনার বিষয়ে আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথোরিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম বলেন-আমাদের দেশের তরুণ উদ্যোক্তা এবং স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানগুলো ভালো করছে। আমরা চাই তারা এগিয়ে যাক। রফতানি বাজার হিসাবে যুক্তরাজ্য বরাবরই আমাদের জন্য আর্কষণীয়। বর্তমান সময়ের এই সুযোগটা আমাদের স্টার্টআপদের কাজে লাগাতে হবে। এক্ষেত্রে আমরা আমাদের তরুণ উদ্যোক্তাদের যুক্তরাজ্যর বাজারে প্রবেশে আমরা যুক্তরাজ্য চেম্বার অব কমার্স এবং বাংলাদেশে যুক্তরাজ্য হাই কমিশন এর সহায়তা পাবো আশা করছি।