শ্যামনগরে বেড়ি বাঁধে ফের ভাঙন

আপডেট : ০৭ জুন ২০২০, ২১:১৯

১৪ গ্রাম প্লাবিত

শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডবে কাশিমারী ইউনিয়নের ঝাপালী গ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধে স্বেচ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে রিং বাঁধের কাজ শেষ হতে না হতেই আবারও খোলপেটুয়া নদীতে ভেঙে গেছে। এতে কাশিমারী ইউনিয়নের আট গ্রামসহ পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের আরো ছয় গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। কয়েক হাজার বিঘা চিংড়ি মত্স্য ঘের পানিতে ভেসে গেছে। ১৪টি গ্রামের মিষ্টি পানির পুকুরগুলোতে লোনাপানি ঢুকে তলিয়ে গেছে। খাবার পানির তীব্র সংকটে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ।

কাশিমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ এস এম আব্দুর রউফ জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডবে ইউনিয়নের ঝাপালী এলাকায় পাউবো বেড়িবাঁধ খোলপেটুয়া নদীতে ভেঙে পড়ায় ১৪টি গ্রাম প্লাবিত হয়। স্থানীয় গ্রামবাসীদের নিয়ে দীর্ঘ প্রচেষ্টায় কোনো রকমে রিং বাঁধ দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করা হয়। কিন্তু ১৪ দিন পরে খোলপেটুয়া নদীতে অস্বাভাবিক জোয়ারে আবারও রিং বাঁধ ভেঙে যায়। এতে হাজার হাজার চিংড়ি মত্স্য ঘের পানিতে তলিয়ে কয়েক শ কোটি টাকার মাছ পানিতে ভেসে গেছে। এলাকার যাবতীয় পুকুর লোনা পানিতে তলিয়ে গেছে। এলাকা জুড়ে তীব্র খাবার পানির সংকট দেখা দিয়েছে। পাউবো কর্তৃপক্ষকে বারবার এ ব্যাপারে বলা হয়েছে।

শ্যামনগর উপসহকারী প্রকৌশলী (এসডিই) রাশিদুর রহমান বলেন, বেড়িবাঁধ মেরামতে আট হাজার জিও ব্যাগ ও ছয় হাজার সিনথেটিক ব্যাগ সরবরাহ করা হয়েছে। কিন্তু ভাঙনকবলিত স্থানে পানির গভীরতা বেশি হওয়ায় রিং বাঁধ আবারও ভেঙে গেছে। বেড়িবাঁধ মেরামতের জন্য ১ কোটি ৯১ লাখ টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধায়নে ক্ষতিগ্রস্ত পাউবো বেড়িবাঁধ মেরামত করা হবে।