মহেশপুরে করোনার মধ্যেও চলছে বাল্যবিবাহ

আপডেট : ০৭ জুন ২০২০, ২১:২২

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের মধ্যেও উপজেলার আনাচে-কানাচে অহরহ ঘটছে বাল্যবিবাহ। এসব বিয়ের পূর্বে প্রশাসনকে অবহিত করা হলেও তারা নীরব ভূমিকা পালন করছেন।

প্রাপ্ত সূত্রে প্রকাশ, উপজেলার ফতেপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের মেয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া রিতা খাতুনকে (১৪) গত পহেলা মে, অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রী বর্ষা খাতুনকে (১৩) ২রা জুন, বাবলা মাথাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রহিমের মেয়ে শারমিন আক্তারকে (১৫) ২রা এপ্রিল বিয়ে দেওয়া হয়। একইভাবে গত দুই মাসে বিভিন্ন ইউনিয়নে ৩১টি বাল্যবিবাহ সংঘটিত হয়েছে।  স্থানীয়রা জানান, কাজিরা সরকারের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এসব বাল্যবিবাহ পড়াচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক বাল্যবিবাহ পড়ানোর অভিযোগ দেওয়া হলেও প্রশাসন এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। অপরিণত বয়সে বিয়ের কারণে সুস্বাস্থ্য, উচ্চশিক্ষা পরিপূর্ণ সংসার গঠন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অনেক মেয়েই। ফলে সরকারের লক্ষ্য উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে। বিয়ের পর স্বামীসহ শ্বশুরালয়ের লোকজনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পাড়ায় তালাক প্রাপ্তা হচ্ছে অনেকেই। উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে আমরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে পারিনি।