আর্টিস্টদের মধ্যে অনেকের সঙ্গে অনেকেরই দেখা হচ্ছে আড়াই মাস, তিন মাস পর। আবেগে তারা কিছুটা খুশিতে মাতছেন। পরক্ষণেই সব শিল্পী সচেতন হয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু শুটিংসেটের লাইটম্যান সহকারী, প্রোডাকশন বয়, ক্যামেরা সহকারী তারা খুব বেশি সচেতন নন। এই মহামারি সম্পর্কে তাদের ধারণা না থাকায় তারা শুটিংসেটে মাস্ক খুলেই আড্ডা দিচ্ছেন। তারা এতটাই অসচেতন, মাস্ক মুখে রাখতে চাইছেন না। কিছু বললে তাত্ক্ষণিক শোনেন, কিন্তু পরে আবার ভুলে যান। এখন তাদের জন্য শুটিং করতে ভয় লাগছে। কারণ তারা এখানে এতটা সতর্কতায় যেহেতু অসচেতন, তাহলে বাইরে কীভাবে চলেন। তাদের বোঝালেও এক কান দিয়ে শোনেন অন্য কান দিয়ে বের করে করে দেন। শুটিংসেটের অনেকেই বুঝিয়েছেন, কিন্তু কাজ হয়নি। যে লাউ সেই কদুই হয়ে থাকতে চান।
করোনার এই পরিস্থিতে শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে
অভিনেতা ফারুক আহমেদ
