বাড়ছে করোনার ঝুঁকি
মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক এবং মির্জাপুর উপজেলার আঞ্চলিক সড়কে পরিবহন সেক্টরে সরকারি নির্দেশনা ও সামাজিক দূরত্ব রক্ষার নিয়মসহ স্বাস্থ্যবিধি না মানার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাছাড়া যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগে জানা গেছে। গাদাগাদি করে যাত্রী বহন করায় গণপরিবহনে বাড়ছে করোনার ঝুঁকি। সোমবার ঢাকা-টাঙ্গাইল পুরাতন রোডের মির্জাপুর বাস স্টেশনে গিয়ে এমন চিত্রই দেখা গেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, করোনার কারণে দীর্ঘদিন এই মহাসড়কে যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। গত ১ জুন থেকে ৬০ ভাগ ভাড়া বৃদ্ধি করে সরকার বিভিন্ন শর্তে যানবাহন চলাচলের সুযোগ দিলেও মানা হচ্ছে না নিয়মকানুন।
নিয়মিত চলাচলকারী যাত্রীদের মধ্যে আমির হোসেন (৩৫) ও গার্মেন্টসকর্মী মার্জিয়া বেগম (৩০) অভিযোগ করেন, মির্জাপুর থেকে কালিয়াকৈর ও চন্দ্র পর্যন্ত পূর্বে লেগুনায় ও বাসে ভাড়া ছিল ২০ টাকা ও ২৫ টাকা। এখন ভাড়া নেওয়া হচ্ছে কালিয়াকৈর ৩০-৪০ টাকা এবং চন্দ্রা ৪৫-৫০ টাকা। যাত্রী নেওয়ার কথা সাত জন। সেখানে অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়া হচ্ছে ১২-১৪ জন।
মির্জাপুর-নাগরপুর-ভাদগ্রাম রোড, মির্জাপুর-ওয়ার্শি-বালিয়া রোড, মির্জাপুর-কামারপাড়া রোড, ডুবাইল-মহেড়া-ছাওয়ালী রোড, ধল্যা-মহেড়া রোড, কুরনী-ফতেপুর রোড, পাকুল্যা-দেলদুয়ার রোড, পাকুল্যা-লাউহাটি রোড, দেওহাটা-বহুরিয়া রোড, গোড়াই-সখীপুর-ঢাকা রোডসহ ২০-৩০ আঞ্চলিক সড়কে লেগুনা, সিএনজি ও অটো টেম্পোতে অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে যাত্রী পরিবহন হচ্ছে।
এ ব্যাপারে পরিবহন মালিক ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাধন বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যারা নিয়ম মানছেন না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। গোড়াই হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট মো. আলীফ হোসেন ও চন্দ্রা এলাকার সালনা হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট জাহিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চালানোর জন্য চালক ও শ্রমিকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে যারা এই আইন অমান্য করছেন তাদের অর্থদণ্ডসহ মামলা ও বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হচ্ছে।
