না.গঞ্জে করোনায় মারা যাওয়া ৮০ জনের তালিকা প্রকাশ

আপডেট : ০৮ জুন ২০২০, ২২:০৪

নারায়ণগঞ্জে প্রতিদিনই বাড়ছে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা। ইতিমধ্যে নারায়ণগঞ্জে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ৫৯৪তে পৌঁছেছে। প্রাণ হারিয়েছেন ৮৯ জন। আর উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে অনেকেই; যার হিসাব প্রশাসনের কাছে নেই। এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে নারায়ণগঞ্জে মারা যাওয়া ৮৯ জনের মধ্যে ৮০ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

এরা হলেন এনসিসি এলাকার ফারুক আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন, চিত্তরঞ্জন, এম এ হাসান, মজিবুর রহমান, খায়রুল আলম হিরো ওরফে হিরো লিসান, মনির হোসেন, সুরুজ মিয়া, মোস্তফা সরকার, কহিনুর বেগম, দুলু মিয়া, মমতাজ বেগম বেবী, মাজেদা বেগম, মাহবুব রহমান রানা, মৃণাল কান্তি ধর, হরিহর, তাওলাদ হোসেন, বিকাশ সাহা, বিমল সাহা, অরুণ দাস, মঞ্জুর আহমেদ, রমিজ উদ্দিন, অসিত কুমার, সাইফুল ইসলাম বাবু, আবুল ফজল মুন্সী, সুশ্রীল চন্দ্র সাহা, মো. ফজর আলী, হোসনে আরা বেগম, সালমা আক্তার, আয়শা আক্তার প্রমুখ। তবে উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া কিছু লোকের নামের তালিকা পাওয়া গেছে। তারা হলেন মিশনপাড়ার সিদ্দিকুর রহমান, জামতলার আফতাব উদ্দিন, ফতুল্লায় মোকলেছ, রূপগঞ্জে জলিল প্রধান, মাসদাইরে রুম্মন বাবু, টানবাজার এলাকার সুজন সাহা, চাষাঢ়া বাগে জান্নাত মহল্লার বাসিন্দা কালিপদ সাহা, কলাগাছিয়ায় মিজানুর রহমান চুন, দড়িসোনাকান্দা এলাকার ফেরদৌসী, গলাচিপা এলাকার দ্বীনেশ মোদক, আমলাপাড়া এলাকার কে বি সাহা রোডের সিগমা বেগম, খানপুরে শাকিল ভূঁইয়া, আমলাপড়ায় ডা. কৌলাশ বণিক, পুরান বন্দরে সফিউল্লাহ মাস্টার, আমলাপাড়ার হুমায়ূন আহাম্মেদ, বন্দরের আমিরাবাদে জহিরুল হক, ৩০০ শয্যার সুইপার অর্জুন দাস, আলেফা খাতুন, ফতুল্লায় গণতন্ত্রী পার্টির জেলা শাখার সভাপতি হাজি মাহতাব উদ্দিন, ফতুল্লার আওলাদ ও সোনারগাঁও বাড়ি চিনিষ এলাকায় নারগীস।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হলে স্বজনেরাও আজ হয়ে যাচ্ছেন পর। বাবার লাশ হাসপাতালে ফেলে রেখে সন্তান পালিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে। অনেক দেশেই পথেঘাটে লাশ পড়ে থাকছে। করোনা আতঙ্কে কেউ এগিয়ে আসছে না। ভয়াবহ করোনা ভাইরাস নিয়ে তবু মানুষের মধ্যে নেই সচেতনতা। নারায়ণগঞ্জের অনেক জায়গায় সাধারণ মানুষ পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে নিত্যদিনের কাজ, বাজারঘাট, আড্ডাবাজি, ঘোরাঘুরি  চালিয়ে যাচ্ছে।