গভর্নরের চাকরির বয়সসীমা ৬৭ বছর

আপডেট : ০৮ জুন ২০২০, ২২:৫৪

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে চাকরির বয়সসীমা ৬৫ থেকে দুই বছর বাড়িয়ে ৬৭ বছর করা হচ্ছে। গতকাল সোমবার সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সংক্রান্ত ‘দ্য বাংলাদেশ ব্যাংক (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২০’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর মো. ফজলে কবীরও ৬৭ বছর পর্যন্ত পদে থাকতে পারবেন। এ বছরের জুলাইয়ে ফজলে কবীর ৬৫ বছর পার করবেন। এক মাস পর                অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার এই বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাধ্যমে এক ব্রিফিংয়ে বলেন, সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৬৫ বছর নির্ধারিত থাকায় আর্থিক খাতে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে ৬৫ বছরের পর গভর্নর হিসেবে নিযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না। এমনকি বাংলাদেশে ব্যাংকে গভর্নর হিসেবে দায়িত্বপালনকারী অভিজ্ঞ ব্যক্তিকেও ৬৫ বছর পর পুনঃনিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয় না। এ বিষয়ে বাস্তব আলোচনার পর মন্ত্রিপরিষদ সিদ্ধান্ত নেয় এটাকে বৃদ্ধি করে ৬৭ করে দেওয়া হতে পারে। এটাই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরো বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও শ্রীলংকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদে সর্বোচ্চ বয়সসীমার উল্লেখ নেই। এমতাবস্থায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সর্বোচ্চ বয়সসীমা সংক্রান্ত ‘দ্য বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (প্রেসিডেন্টস অর্ডার নং ১২৭, ১৯৭২) এর আর্টিকেল ১০ এর  ক্লজ ৫ এর শর্তাংশ বা প্রভিশন বিলুপ্তির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দ্য বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (প্রেসিডেন্টস অর্ডার নং ১২৭, ১৯৭২) এর আর্টিকেল ১০ এর ক্লজ ৫ এর বিধান অনুযায়ী গভর্নরের কার্যকাল বা মেয়াদ চার বছর এবং তাকে পুনর্নিয়োগ করা যাবে। তবে উক্ত ক্লজ (৫) এর শর্তাংশে (প্রভিশন) উল্লেখ রয়েছে যে, ৬৫ বছর বয়স পূর্তির পর কোনো ব্যক্তি গভর্নর পদে আসীন থাকতে পারবেন না। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান প্রমুখ অংশ নেন। সংশ্লিষ্ট সচিবরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।