বৈশাখী সাজের সঙ্গে শাড়ির যেমন একটা সম্পর্ক আছে, তেমন শাড়ির সঙ্গে আছে চুড়ির সখ্য। কাচের চুড়ির সঙ্গে জীবিকা বেধেছেন এক শ্রেণির নারী। চারুকলার সামনে চলার পথের রং বাড়াতে সংযোজিত হয়েছে রং বেরঙের চুড়ির পসরা। একসময় বাড়িতে বাড়িতে এই চুড়িওয়ালিরা ফেরি করত চুড়ি আজ বিভিন্ন জায়গায় দল বেধে বসেন তারা। জীবনযুদ্ধে ব্যস্ত নারীরা কিশোরী-তরুণীদের হাতে রঙিন কাচের চুড়ি তুলে দিয়ে ঘোরাবার চেষ্টা করছেন তাদের ভাগ্যের চাকা। ছোট্ট এক শিশুকন্যা। তার মা যখন কোনো কিশোরীর হাতে চুড়ি পরিয়ে দেয় আর ঝলমল করে ওঠে সেই কিশোরীর মুখ তখন শিশুটিও হাসিতে দুলে ওঠে, তাই দেখে হাসে তার মা সেই সঙ্গে অন্য চুড়িওয়ালিরাও। এই পথে—বইমেলা, পহেলা বৈশাখ, পহেলা ফাল্গুন, ডিসেম্বর বিজয়ের মাস, ঈদ বা অন্য কোনো উপলক্ষ্য ঘিরে বসেন তারা । কিশোরী-তরুণীর হাতে হাতে ফিরবে আর টুং টাং বাজবে তাদের কাচের চুড়ি। সবচেয়ে ভালো লাগল পূর্বোল্লিখিত নারী বিক্রেতার এই কথাগুলো, ‘এই ব্যবসা করি, ভালো লাগে বইলা। এইডা অইল আমার জাতব্যবসা। আর কিছু করতেও মন লয় না, আবার কারো কাছ থেইকা চাইয়াও খাইবার পারুম না।
