মত্স্য ভাণ্ডার হিসেবে খ্যাত চলনবিলে এসেছে বর্ষার নতুন পানি। আর পানি আসার সঙ্গে সঙ্গে মা মাছ ধরার উত্সব লেগেছে যেন! ডিমওয়ালা মাছ নিধন বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে চলনবিলে মাছ উত্পাদনে বড়ো ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে।
নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলার ৮টি উপজেলা নিয়ে গঠিত দেশের সর্ববৃহত্ বিলাঞ্চল। অসাধু জেলেরা বিলের বিভিন্ন পয়েন্টে বাদাই ও কারেন্ট জালসহ মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে দিনে-রাতে মা মাছ শিকার করে প্রকাশ্যে বিক্রি করছে। হাট-বাজার এবং তাড়াশ ও সিংড়া মত্স্য আড়তে দেখা গেছে ডিমে পেট ভরপুর টেংরা, পাতাসী, পুঁটি, মলা, বোয়াল, শোল ও মাগুরসহ দেশীয় প্রজাতির ২০-২৫ রকম মা মাছ।
সাধারণত জুন-জুলাই মাসে ডিম ছাড়ে মা মাছগুলো। বর্ষা শুরু হলেই চলনবিলের মাছগুলো ডিম ফোটাতে থাকে। এই সময়ে মাছ ধরা একেবারেই নিষিদ্ধ। কিন্তু চলনবিলে তার উলটোটি ঘটছে। এই নিধন বন্ধ করা না হলে চলনবিল এক সময় মাছশূন্য হয়ে পড়বে। তাই মা মাছ নিধন রোধে প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সবার সমন্বিত উদ্যোগ দরকার।
আবু জাফর সিদ্দিকী
শিক্ষার্থী, সিংড়া জি এ সরকারি কলেজ, নাটোর
