হাঁড়িভাঙা আম

আপডেট : ০৯ জুন ২০২০, ২১:১৯

জুনের মাঝামাঝি সময়ে বাজারে আসতে শুরু করবে। এর নামকরণ প্রসঙ্গে জানা যায়, রংপুরের মিঠাপুকুরের এক কৃষক প্রায় ৮০ বছর আগে এক জঙ্গল থেকে একটি আম সংগ্রহ করেন। আমটি খুবই সুস্বাদু হওয়ায় সেই সময় ৫ টাকা দিয়ে ১০০ আম কিনে আনেন। আম খাওয়ার পর আমের আঁটি থেকে চারা গজায়। তাঁর বাড়ির পাশে ভাঙা হাঁড়ির টুকরোর মাঝখানে গাছটি জন্মেছিল বলে গাছটি ‘হাঁড়িভাঙা’ হিসেবে পরিচিতি পায়। আরো জানা যায়, শত বছর আগে মিঠাপুকুর এলাকার জমিদার ছিলেন তাজ বাহাদুর সিংহ। তিনি খুব শৌখিন মানুষ ছিলেন। তাঁর একটি ফলের বাগান ছিল। ঐ বাগানে ছিল বিভিন্ন প্রজাতির ফল। পেশাদার কিছু আম ব্যবসায়ী তাঁর বাগান থেকে আম নিয়ে পার্শ্ববর্তী পদাগঞ্জ হাটে বিক্রি করতেন। সেখান থেকে হাঁড়িভাঙা আম কিনে কৃষকরা বাণিজ্যিকভাবে এই আমের আবাদ শুরু করেন। রংপুর অঞ্চলে ১৯৯২ সাল থেকে হাঁড়িভাঙা আমের চাষ শুরু হয়। এরই মধ্যে কয়েক লাখ হাঁড়িভাঙা আমের গাছ হয়ে গেছে বলে সেখানকার কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়। রাজশাহীর আমের মতো রংপুর অঞ্চলের এই আম অল্প খরচে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে দিয়ে বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণের জন্য সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সবিনয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক, পার্বতীপুর, দিনাজপুর