গঙ্গাচড়ায় তিস্তার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে আবাদি জমি

আপডেট : ০৯ জুন ২০২০, ২১:৩৩

গঙ্গাচড়ায় তিস্তার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ভুট্টা ও পাট খেত এবং আবাদি জমি। এছাড়া ভাঙন হুমকিতে রয়েছে তিস্তা ডানতীর বাঁধ।

গত বছর থেকে তিস্তার পানি মূল নদীতে না গিয়ে গ্রোয়েন বাঁধ ক্রস করে ফসলের খেত ও আবাদি জমি বিলীন করে তিস্তা প্রতিরক্ষা ডানতীর বাঁধে আঘাত করে। এতে বাঁধের অধিকাংশ স্থান নদীতে বিলীন হয়ে যায়। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড বালির বস্তা ডাম্পিং করে আপাতত রক্ষা করেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের শেষ প্রান্তে তিস্তার ভাঙন এসে ঠেকেছে মূল বাঁধে। সেই সঙ্গে ভেঙে যাচ্ছে ফসলের খেত ও আবাদি জমি। স্থানীয় দিনেশ, বাবুল, কনক, লোকমানসহ অনেকে জানান, তিস্তার পানি বাড়লে ভাঙন এসে আবারও আঘাত হানবে। তাছাড়া উজান ও ভাটিতে অবস্থিত দুই গ্রোয়েন বাঁধের মাঝে একটি বেড়িবাঁধ না দিলে মূল বাঁধসহ আবাদি জমি রক্ষা করা যাবে না বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী শারফুল ইসলাম ভাঙনের কথা স্বীকার করে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছে। আপাতত বালুর বস্তা ডাম্পিং করা হয়েছে।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন, মূল বাঁধ রক্ষায় একটি বেড়িবাঁধ করা জরুরি। তবে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।