কমলবাইদ-ধামালিয়া সড়ক

খোঁড়াখুঁড়িতে হাঁটা-ই দায় দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ

আপডেট : ০৯ জুন ২০২০, ২১:৪০

মধুপুর উপজেলার বেড়িবাইদ ইউনিয়নের কমলবাইদ-ধামালিয়া রাস্তাটি পাকাকরণের নামে খোঁড়াখুঁড়িতে হাঁটা-ই দায় হয়ে গেছে। বৃষ্টিতে কোথাও হাঁটু, কোথাও কোমর অবধি পানি জমে থাকে। এতে করে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পাহাড়ি ১০ গ্রামের মানুষের। বেড়িবাইদ দক্ষিণপাড়ার অটোচালক নির্মল বর্মন বলেন, কমলবাইদ-ধামালিয়া রাস্তাটিতে লালমাটির কাদা আঠার মতো লেগে যায়। যানবাহন তো দূরের কথা হেঁটেও পার হওয়া যায় না। দামালিয়ার অটোচালক আমিন জানান, চার মাস আগে এলজিইডির ঠিকাদার রাস্তা খুঁড়ে ফেলে যায়। বৃষ্টিতে কোথাও হাঁটু কোথাও কোমর অবধি জল। রিকশাভ্যান পার করা যায় না। এখন আনারস, কলা ও কাঁঠালের ভরা মৌসুম। ফল পরিবহন করে আয়রোজগারের মোক্ষম সুযোগ। কিন্তু বেহাল রাস্তায় কপাল বৈরী। মাগন্তনিগর গ্রামের আনারসচাষি মজনু মিয়া জানান, ৩০ বিঘায় কলা আর আনারস আবাদ করেন। চার কিলোমিটার দূরের জলছত্র পাইকারি মার্কেটে ফল বাজারজাতকরণে রাস্তার করুণদশা। শত শত টন ফল ঝাকিতে বা সাইকেলে কতোটাই বা বাজারে নেওয়া যায়। পরিবহন সমস্যায় অনেকের কলা বাগানে পচেছে। ইউপি মেম্বার হেলাল উদ্দীন জানান, ফলমূল ও সবজির ভরা মৌসুমে পাহাড়ি রাস্তাটির দুরবস্থা কৃষি জীবনকে অচল করে দিয়েছে। বেড়িবাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলহাসউদ্দীন জানান, পাহাড়ি ১০ গ্রামের মানুষ এখন অবরুদ্ধ। বাগানের ফল পচে যাচ্ছে। অথচ ঠিকাদার কাজ করছে না। মধুপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী বিদ্যুত্ কুমার দাস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে সাড়ে ৩ কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণে ঠিকাদার নানা ছুতায় কালক্ষেপণ করায় মানুষের নিদারুণ ভোগান্তি হচ্ছে। ঠিকাদার শহীদুর রহমান শাহীন জানান, খুব তাড়াতাড়ি নির্মাণ কাজ শুরু করবেন।