সরকারকে উচ্চ প্রবৃদ্ধির দিকে ছোটার মানসিকতা পরিহার করে আসছে বাজেটে অর্থনীতিকে সচল রাখার সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলা করে ব্যবসা বাণিজ্য ও অর্থনীতিকে সচল করতে পারলে প্রবৃদ্ধি মন্থর হবে, কিন্তু উদ্ভূত পরিস্থিতি উতরানো যাবে। সমাপ্ত হতে যাওয়া অর্থবছরের (২০১৯-২০) প্রবৃদ্ধি ৪ থেকে ৫ শতাংশের বেশি হবে না। সচল অর্থনীতির গতি মন্থর থাকলেও ধীরে ধীরে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব।
এবারের বাজেটের লক্ষ্য হওয়া উচিত—উচ্চ প্রবৃদ্ধি নয়, সচল অর্থনীতি। সেই সঙ্গে নতুন বাজেটকে পরবর্তী অর্থবছরের সঙ্গে (২০২১-২২) সামঞ্জস্য রাখতে হবে। এর বাইরে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মতো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সঙ্গে বাজেটের যোগসূত্র রাখাও জরুরি। এবারে বাজেট প্রণয়নের গতানুগতিক ধারা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। করোনার ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এছাড়া বৈশ্বিক প্রভাবের কারণে আমদানি-রপ্তানি ব্যাহত হওয়া, রেমিটেন্স কমে আসার মতো বড়ো বড়ো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। উন্নয়ন বাজেটে নেওয়া প্রকল্পগুলো যেন করোনা মোকাবিলায় ভূমিকা রাখে সে বিষয়ে নজর দিতে হবে। নতুন অর্থবছরে আয় বাড়াতে কোনোভাবেই করহার বৃদ্ধি না করে করের আওতা বাড়ানো জরুরি।
