দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাংলাদেশের

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ০০:৫০

দুর্নীতির বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, গত ৩ বছরে মানিলন্ডারিং মামলার ক্ষেত্রে সাজার হার ১০০ শতাংশ। একই সঙ্গে গত ৫ বছরে দুদকের মামলায় বিচারিক আদালতে সাজার হার  ২০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬৮ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এছাড়া ২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে বিভিন্ন মামলায় বাজেয়াপ্ত ও জরিমানা বাবদ অভিযুক্ত দুর্নীতিবাজদের কাছ থেকে ২৭৪ কোটি ২৭ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত ইউনাইটেড ন্যাশনস কনভেনশন অ্যাগেইনেস্ট করাপশন (আনকাক) এর দ্য ইমপ্লেমেনটেশন রিভিউ গ্রুপের দ্বিতীয় রিজিউমড এর নবম সেশনে বক্তব্যকালে দুদক চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। দুদক থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

দুদক চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে আরো বলেন, ২০১৩ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ৫৫০টি দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিং মামলায় আসামিদের বিচারিক আদালতে সাজা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন ও দুর্নীতি বিরোধী সংস্কৃতির ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। বিভিন্ন পরিসংখ্যান উল্লেখ করে তিনি বলেন, চলতি বছর অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ১৮৯টি মামলা দায়ের এবং ২২৩টি অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেছে।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুদক আইনি ম্যান্ডেট অনুসারে স্বাভাবিক অনুসন্ধান ও তদন্তের পাশাপাশি দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধে বহুমুখী উদ্ভাবনী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ প্রসঙ্গে কমিশনের সম্প্রতি পরিচালিত ফাঁদ মামলার অভিযানের তথ্য প্রকাশ করে তিনি বলেন,  এ বছরে ১৫ টি ফাঁদ মামলা পরিচালনা করে ঘুষ গ্রহণের সময় ১৮ জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হাতে-নাতে ঘুষের টাকাসহ গ্রেফতার করেছে দুদক।

উল্লেখ্য, ১২ থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত এই কনভেনশনে দুদক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল অংশ নিয়েছে।